ইরানের যুদ্ধবিমান পাকিস্তানে!!
Iran ও United States-এর সংঘাতের সময়ে ইরানের যুদ্ধবিমান পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক দাবি করেছে CBS News। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার হামলা থেকে বাঁচতেই পাকিস্তানে বিমান সরিয়ে রেখেছিল ইরান। এই দাবি সামনে আসতেই মধ্যস্থতাকারী হিসাবে Pakistan-এর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাওয়ালপিন্ডির কাছে অবস্থিত Nur Khan Airbase-এ ইরানের কয়েকটি সামরিক বিমান রাখা হয়েছিল। মার্কিন সূত্রের দাবি, এপ্রিলের শুরুতে প্রেসিডেন্ট Donald Trump যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করার পর ইরান তাদের কিছু যুদ্ধসরঞ্জাম ও বিমান পাকিস্তানে সরিয়ে নেয়। সেখানে নাকি ইরানের আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান এবং লকহিড সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহণ বিমানও ছিল।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, সম্ভাব্য হামলা এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেয় তেহরান। পাশাপাশি, আফগানিস্তানেও দু’টি বিমান সরিয়ে রাখা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে, যদিও সেগুলি যুদ্ধবিমান ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এই রিপোর্ট সামনে আসার পর মার্কিন সেনেটর Lindsey Graham পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, রিপোর্ট সত্য হলে ইরান-আমেরিকা আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নতুন করে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁর মতে, ইজ়রায়েল নিয়ে পাকিস্তানের সামরিক আধিকারিকদের আগের মন্তব্যের পর এই অভিযোগ অস্বাভাবিক নয়।
যদিও পাকিস্তান পুরো অভিযোগই অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, নুর খান ঘাঁটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। সেখানে বিদেশি যুদ্ধবিমান রাখা হলে তা গোপন রাখা সম্ভব হত না।
এ দিকে আফগানিস্তানের অসামরিক বিমান মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সংঘাত শুরুর আগে ইরানের Mahan Air-এর একটি বিমান কাবুল বিমানবন্দরে রাখা হয়েছিল। পরে ইরানের আকাশপথ বন্ধ হয়ে গেলে সেটি সেখানেই আটকে পড়ে। পরে নিরাপত্তার কারণে বিমানটি হেরাট বিমানবন্দরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।
এর আগেও Israel পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ বাড়ছে। সেই আবহে নতুন এই রিপোর্ট আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আরও বিতর্ক তৈরি করল।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা