ইরান নিয়ে কিছুটা নরম আমেরিকা!
বিশ্বকাপে ইরান ফুটবল দলকে ঘিরে তৈরি হওয়া জটিলতা কিছুটা কমল। অবস্থান সামান্য বদল করে ইরানকে তৃতীয় ম্যাচের দু’দিন আগে আমেরিকার সিয়াটল শহরে প্রবেশের অনুমতি দিল সে দেশের প্রশাসন। সেখানেই মিশরের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলবে ইরান।
তবে বিধিনিষেধ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়নি। আগের নিয়মগুলির বেশির ভাগই বহাল থাকছে। শুধুমাত্র দীর্ঘ বিমানযাত্রা এবং ম্যাচের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে সিয়াটলে আগে পৌঁছনোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইরানের বিশ্বকাপের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে শেষ ম্যাচের উপর। প্রথম দু’টি ম্যাচে দুই পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে তারা। মিশরের বিরুদ্ধে জয় পেলেই প্রথম বার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে ইরানের।
এর আগে ইরান দলের যাতায়াত নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। মেক্সিকোর তিজুয়ানা থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে ম্যাচ খেলতে গিয়ে দিনের দিন যাওয়া এবং ফিরে আসতে হচ্ছিল তাদের। ফলে বিশ্রাম ও প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছিল না দলটি।
এই পরিস্থিতিতে ইরানের কোচ আমির ঘালেনোই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা বাড়তি কোনও সুবিধা চাইছেন না, শুধু অন্য দলগুলির মতো একই নিয়মে চলার সুযোগ চান। তাঁর বক্তব্যের পরেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার রাতে আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইরান ম্যাচের দু’দিন আগে সিয়াটলে প্রবেশ করতে পারবে। বুধবারই দলটি রওনা দেবে বলে জানা গিয়েছে।
এক আধিকারিক জানান, বিষয়টি আগে থেকেই পরিকল্পনার মধ্যে ছিল। প্রথম দু’টি সফর নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ বিমানযাত্রার বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছে।
তবে ইরানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মাঠের লড়াই। প্রথম দুই ম্যাচে এখনও জয় পায়নি তারা। মিশরের বিরুদ্ধে শুধু তিন পয়েন্টই নয়, ইতিহাস তৈরির সুযোগও রয়েছে তাদের সামনে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা ইরানের ফুটবলের জন্য বড় সাফল্য হতে পারে। তাই মাঠের বাইরের সমস্যাগুলি কাটিয়ে এখন দলের পুরো মনোযোগ থাকবে শেষ ম্যাচে। সিয়াটলে পৌঁছনোর সুযোগ পাওয়ায় অন্তত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি পেলেন তারেমি-রা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?