ডেটিং অ্যাপে আলাপ, এক বোতল বিয়ারেই ২৯ হাজারের বিল! হায়দরাবাদের প্রযুক্তিবিদের ‘হানিট্র্যাপ’ অভিযোগ

ডেটিং অ্যাপে আলাপ! ডেটিং অ্যাপে পরিচয়। তার পর দেখা করতে গিয়ে একসঙ্গে পানশালায় যাওয়া। কিন্তু সেই ডেট শেষ হল ২৯,৮৮৪ টাকার বিল, বচসা এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের মধ্যে দিয়ে।…

October 7, 2026
0 min read

ডেটিং অ্যাপে আলাপ!

ডেটিং অ্যাপে পরিচয়। তার পর দেখা করতে গিয়ে একসঙ্গে পানশালায় যাওয়া। কিন্তু সেই ডেট শেষ হল ২৯,৮৮৪ টাকার বিল, বচসা এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের মধ্যে দিয়ে। হায়দরাবাদের ২৭ বছরের সফ্‌টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার চেরুকু হেমন্তের অভিযোগ, তাঁকে পরিকল্পিত ভাবে পানশালায় নিয়ে গিয়ে বিপুল টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনাটি জুবিলি হিল্‌সের ৩৬ কেমিস্ট্রি পাবের।

হেমন্তের দাবি, ২৭ সেপ্টেম্বর ‘কোয়াক কোয়াক’ ডেটিং অ্যাপে ‘দিব্যা’ নামে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরের দিন ওই তরুণী তাঁকে জুবিলি হিল্‌সের নীরুজ় জংশনের কাছে দেখা করতে বলেন। সেখানে দেখা হওয়ার পর তাঁরই প্রস্তাবে দু’জনে একটি পানশালায় যান।

হেমন্ত পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন, সেখানে তরুণী একাধিক খাবার ও পানীয় অর্ডার করেন। কিছু ক্ষণ পরে বিল আসতেই তিনি চমকে যান। তাঁর দাবি, তিনি নিজে মাত্র একটি বিয়ার পান করেছিলেন। অথচ মোট বিল দাঁড়ায় ২৯,৮৮৪ টাকা। অভিযোগ, তরুণীর অর্ডার করা কিছু পানীয় দেখতে অ্যালকোহলবিহীন মনে হলেও বিলে সেগুলিকে দামি মদ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ হেমন্তের। তাঁর দাবি, তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে পানশালার কর্মী ও বাউন্সারেরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুলিশে খবর দেন তিনি।

এর মধ্যেই ওই তরুণী পানশালা থেকে বেরিয়ে যান বলে হেমন্তের অভিযোগ। তাঁর দাবি, যাওয়ার আগে তরুণী জানান, তিনি ১০ হাজার টাকা মিটিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু সেই লেনদেন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন হেমন্ত। তাঁর অভিযোগ, দেখানো পেমেন্টটি ভুয়ো হতে পারে।

পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগে ওই মহিলাকে ‘দিব্যা ওরফে কাব্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন হেমন্ত। তাঁর আরও অভিযোগ, তরুণী এবং পানশালা কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগসাজশ থাকতে পারে। ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দিয়ে পানশালায় নিয়ে গিয়ে অতিরিক্ত বিল ধরানোই ছিল উদ্দেশ্য—এমনই দাবি তাঁর।

হেমন্তের অভিযোগের ভিত্তিতে জুবিলি হিল্‌স পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিলের রেকর্ড, পেমেন্টের তথ্য এবং পানশালার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল কি না, দেখানো ১০ হাজার টাকার লেনদেন সত্যি না ভুয়ো, এবং মহিলা ও পানশালা কর্তৃপক্ষের মধ্যে কোনও যোগসাজশ ছিল কি না—তদন্তে সেগুলিই খতিয়ে দেখা হবে।

অর্থাৎ, আপাতত পুরো ঘটনাই এক প্রযুক্তিবিদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তাধীন। ‘হানিট্র্যাপ’ বা পরিকল্পিত প্রতারণার অভিযোগ সত্যি কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *