চেয়ারে বসে ল্যাপটপে কাজ?
দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে গিয়ে ঘাড়, কাঁধ ও পিঠে ব্যথা এখন অল্প বয়সেও দেখা যাচ্ছে। শুধু একটানা বসে থাকাই নয়, ল্যাপটপ কোথায় এবং কী ভাবে রাখা হচ্ছে, তার উপরেও অনেকটাই নির্ভর করে শরীরের উপর চাপ কতটা পড়বে।
মুম্বইয়ের অস্থিরোগ চিকিৎসক জ়াহির আব্বাস মার্চেন্টের মতে, দীর্ঘ সময় ভুল ভঙ্গিতে ঘাড় নিচু করে কাজ করলে ঘাড় ও কাঁধের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। মাথাব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা এবং কাঁধে অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন একই ধরনের ভুল ভঙ্গি বজায় রাখলে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের স্বাভাবিক ভঙ্গিতেও প্রভাব পড়তে পারে।
ল্যাপটপ রাখবেন কী ভাবে?
ল্যাপটপের পর্দা যতটা সম্ভব চোখের সমান উচ্চতায় রাখা ভাল। পর্দা খুব নীচে থাকলে কাজ করার সময় বার বার ঘাড় ঝুঁকিয়ে রাখতে হয়। দীর্ঘ সময় এই ভঙ্গিতে কাজ করলেই ঘাড়ে চাপ বাড়তে পারে।
বসার সময় পিঠ ও মেরুদণ্ড সোজা রাখতে হবে। তবে শরীরকে শক্ত করে টানটান করে বসার প্রয়োজন নেই। আরামদায়ক ভঙ্গিতে পিঠকে প্রয়োজনীয় সমর্থন দিয়ে বসাই ভাল।
পা মেঝেতে স্বাভাবিক ভাবে রাখা উচিত। বসার উচ্চতা এমন হওয়া দরকার যাতে পা ঝুলে না থাকে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে।
একটানা বসে থাকবেন না
সঠিক ভঙ্গিতে বসার পাশাপাশি নিয়মিত বিরতি নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। ৪০–৪৫ মিনিট কাজ করার পর উঠে কিছুটা হাঁটাচলা করা যেতে পারে। ঘাড় ডান-বাঁ দিকে ধীরে ঘুরিয়ে বা হালকা স্ট্রেচিং করলেও পেশির উপর একটানা চাপ কমে।
কয়েক মিনিটের এই বিরতি শুধু ঘাড়-পিঠের অস্বস্তি কমাতেই নয়, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ফলে শরীরে তৈরি হওয়া সামগ্রিক চাপ কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
ঘাড় বা কাঁধের ব্যথা নিয়মিত হলে, ঘাড় ঘোরাতে সমস্যা হলে কিংবা ব্যথার সঙ্গে ঘাড়-কাঁধে অসাড়তা বা ঝিনঝিনে ভাব দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। এমন উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।