৪০-এর পর নারীদের সকাল হোক আরও স্বাস্থ্যকর
৪০ পেরোলেই শরীরে একসঙ্গে নানা পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে পেশির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমতে থাকে, হরমোনের ওঠানামাও শুরু হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে শক্তি, ঘুম, হজম এবং মানসিক স্বাস্থ্যে। তাই দিনের শুরুটা একটু সচেতন ভাবে করা উপকারী। মুম্বইয়ের পুষ্টিবিদ শ্বেতা শাহের পরামর্শ অনুযায়ী, সকালের রুটিনে তিনটি অভ্যাস যোগ করা যেতে পারে।
সকালে ভেজানো কিশমিশ ও মৌরি
ঘুম থেকে উঠে ভেজানো কালো কিশমিশের সঙ্গে মৌরি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে পারেন। কিশমিশে থাকা ফাইবার হজমে সহায়ক হতে পারে। তবে ৪০ পেরোলেই কিশমিশ-মৌরির এই বিশেষ সংমিশ্রণ আলাদা কোনও স্বাস্থ্যগুণ দেবে, এমন প্রমাণ নেই। ভাল লাগলে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এটি খাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সারা দিনের খাবারে পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করাও জরুরি।
প্রাতরাশে রাখুন প্রোটিন
৪০-এর পর সকালের খাবারে প্রোটিনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া যেতে পারে। বয়সের সঙ্গে পেশির পরিমাণ কমার প্রবণতা দেখা যায়। পর্যাপ্ত প্রোটিন পেশি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ডিম, মাছ, মাংস, দই, পনির, টোফু, ডাল বা ছোলার মতো খাবার প্রাতরাশে রাখা যায়। সাধারণ ভাবে সকালের খাবারে ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন রাখার পরামর্শ দেওয়া হলেও ব্যক্তিভেদে প্রয়োজন আলাদা হতে পারে।
১৫-২০ মিনিট হাঁটা ও শ্বাসের ব্যায়াম
সকালে ঘুম থেকে উঠে সরাসরি কাজ শুরু না করে অন্তত ১৫-২০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। নিয়মিত হাঁটা শরীরকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। খাবারের পর অল্প হাঁটাও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
শুধু শরীর নয়, মনের যত্নও জরুরি। ধীরে এবং নিয়ন্ত্রিত ভাবে শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে এবং মানসিক চাপ সামলাতে সাহায্য করতে পারে।
তবে শুধু সকালের কয়েকটি অভ্যাসেই সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ— সবকিছুর সমন্বয়েই ৪০-এর পর সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।