প্রোটিন বাড়িয়েছেন ডায়েটে? জল খাওয়ার পরিমাণও কি বাড়াতে হবে

প্রোটিন বাড়িয়েছেন ডায়েটে? সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ানোর পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। পেশি মজবুত করা বা শরীরের গঠন ঠিক রাখতেও অনেকে প্রোটিন-নির্ভর ডায়েট বেছে নেন। কেউ কেউ আবার কিটো…

September 16, 2026
1 min read

প্রোটিন বাড়িয়েছেন ডায়েটে?

সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ানোর পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। পেশি মজবুত করা বা শরীরের গঠন ঠিক রাখতেও অনেকে প্রোটিন-নির্ভর ডায়েট বেছে নেন। কেউ কেউ আবার কিটো ডায়েটের মতো খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করেন। কিন্তু খাবারে প্রোটিন বাড়ালে কি জল খাওয়ার পরিমাণও বাড়াতে হয়?

মুম্বইয়ের চিকিৎসক মঞ্জুষা অগ্রবালের মতে, প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ানোর পর অনেকেরই তেষ্টা তুলনামূলক বেশি পেতে পারে। বিশেষ করে খাবারে প্রোটিন বাড়িয়ে দেওয়ার পর পর্যাপ্ত জল না খেলে এই সমস্যা বেশি অনুভূত হতে পারে।

এর পিছনে রয়েছে শরীরের স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়া। প্রোটিন হজম ও বিপাকের সময় নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য তৈরি হয়। সেই বর্জ্য রক্ত থেকে ছেঁকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীরের বাইরে বার করে দিতে কিডনির পর্যাপ্ত জলের প্রয়োজন হয়। শরীরে জলের জোগান কম থাকলে তেষ্টা বাড়তে পারে।

তবে সব প্রোটিনজাত খাবারের ক্ষেত্রে একই পরিস্থিতি হয় না। ডাল, বিন্‌স, পনির বা দুগ্ধজাত খাবারের মতো বিভিন্ন উৎস থেকে প্রোটিন পাওয়া যায় এবং সেগুলির সঙ্গে শরীরে বর্জ্য উৎপাদনের মাত্রাও এক নয়। খাবারে সোডিয়াম ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও তেষ্টার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। বেশি নুনযুক্ত বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে স্বাভাবিক ভাবেই তেষ্টা বেশি পেতে পারে।

তাই শুধু প্রোটিন খাচ্ছেন বলেই নির্দিষ্ট কোনও অতিরিক্ত পরিমাণ জল পান করতে হবে— এমন কোনও সার্বজনীন নিয়ম নেই। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী জল খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। তেষ্টা পাওয়া জলের প্রয়োজনের একটি সাধারণ সংকেত। পাশাপাশি প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ হয়ে গেলে শরীরে জলের ঘাটতি রয়েছে কি না, সে দিকেও নজর দেওয়া যেতে পারে।

প্রতিদিন কতটা জল প্রয়োজন, তা সকলের ক্ষেত্রে এক নয়। শরীরের ওজন, দৈনিক কায়িক পরিশ্রম, আবহাওয়া, খাবারের ধরন এবং অন্যান্য শারীরিক পরিস্থিতির উপর জলের প্রয়োজন নির্ভর করে। তাই প্রোটিন-নির্ভর ডায়েট শুরু করলে জল খাওয়ার অভ্যাসের দিকেও নজর রাখা জরুরি।

তবে বার বার অতিরিক্ত তেষ্টা পাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা অস্বাভাবিক ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিলে শুধু ডায়েট পরিবর্তনকেই কারণ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *