ইরানকে ফের কড়া বার্তা ট্রাম্পের!
Donald Trump ফের ইরানকে কড়া বার্তা দিলেন। স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, দ্রুত আলোচনায় না-এলে তেহরানের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে— আমেরিকা কি ফের সামরিক চাপ বাড়ানোর পথে হাঁটছে?
রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, “ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। না হলে শেষ পর্যন্ত কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এই মুহূর্তে সময়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিললেও, শর্ত ও পাল্টা শর্তের জেরে পরিস্থিতি এখনও জটিল।
ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, আলোচনায় বসার আগে ওয়াশিংটন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত দিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে, ইরানকে প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দিতে হবে। পাশাপাশি, এত দিন ধরে বাজেয়াপ্ত করে রাখা ইরানের সম্পদ ফেরানোর বিষয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট আশ্বাস দেয়নি আমেরিকা। বরং মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান, আলোচনায় অগ্রগতি এবং চূড়ান্ত সমঝোতা না-হলে পুরোপুরি যুদ্ধ বন্ধের প্রশ্নই উঠছে না।
অন্য দিকে, তেহরানও নিজেদের অবস্থানে অনড়। ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথমে আমেরিকাকে সামরিক অভিযান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, ইরানের উপর চাপানো সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে তারা। এর পাশাপাশি হরমুজ় প্রণালীর উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবিও তুলেছে ইরান।
ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আপাতত কমলেও স্থায়ী সমাধানের রাস্তা এখনও অনেক দূরে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই অনিশ্চয়তাকেই আরও বাড়িয়ে দিল। এখন প্রশ্ন একটাই— কূটনৈতিক আলোচনা কি সত্যিই নতুন সমঝোতার পথ খুলবে, নাকি পরিস্থিতি আবার সংঘাতের দিকেই এগোবে?
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা