শ্রীলঙ্কার তামিল ইস্যুতে ফের প্রভাকরণের নাম বিজয়ের মুখে, রাজনৈতিক বার্তা নিয়েই জোর জল্পনা

শ্রীলঙ্কার তামিল ইস্যুতে ফের প্রভাকরণের নাম বিজয়ের মুখে! C. Joseph Vijay ফের শ্রীলঙ্কার তামিলদের প্রসঙ্গ তুলে এলটিটিই প্রধান Velupillai Prabhakaran-এর স্মৃতি উস্কে দিলেন। সোমবার সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বলেন,…

May 19, 2026
1 min read

শ্রীলঙ্কার তামিল ইস্যুতে ফের প্রভাকরণের নাম বিজয়ের মুখে!

C. Joseph Vijay ফের শ্রীলঙ্কার তামিলদের প্রসঙ্গ তুলে এলটিটিই প্রধান Velupillai Prabhakaran-এর স্মৃতি উস্কে দিলেন। সোমবার সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মুল্লিভাইক্কালের স্মৃতি তামিল সমাজ আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এবং শ্রীলঙ্কার তামিলদের অধিকারের লড়াইয়ে তাঁরা পাশে থাকবেন।

১৮ মে দিনটি শ্রীলঙ্কার তামিলদের কাছে অত্যন্ত আবেগঘন। ২০০৯ সালে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের শেষ পর্বে মুল্লিভাইক্কল এলাকাতেই কার্যত ভেঙে পড়ে এলটিটিই-র প্রতিরোধ। সেই সময় শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত হন প্রভাকরণও। তাই প্রতি বছর দিনটি ‘মুল্লিভাইক্কল দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

বিজয়ের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, ভারতে এলটিটিই নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত, এবং প্রভাকরণের নাম ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলি সাধারণত অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নেয়। বিশেষ করে ১৯৯১ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী Rajiv Gandhi-র হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এই ইস্যু আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।

তবে তামিল রাজনীতিতে শ্রীলঙ্কার তামিলদের প্রতি আবেগ বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের মতে, সেই আবেগকেই আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন বিজয়। তাঁর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোটের অন্যতম শরিক ভিসিকে দীর্ঘ দিন ধরেই ইলম তামিলদের অধিকারের পক্ষে সরব। ফলে বিজয়ের এই বার্তা রাজনৈতিক ভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এটি অবশ্য প্রথম বার নয়। গত বছর নাগাপট্টিনমের এক সভাতেও প্রভাকরণকে “শ্রীলঙ্কার তামিলদের কণ্ঠস্বর” বলে উল্লেখ করেছিলেন বিজয়। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ইলম তামিলদের সঙ্গে তামিলনাড়ুর মানুষের আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে।

তবে সমালোচকরাও প্রশ্ন তুলছেন। তাঁদের একাংশের মতে, শ্রীলঙ্কার তামিলদের মানবাধিকার ইস্যু এবং প্রভাকরণের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার— এই দু’টি বিষয় আলাদা করে দেখা উচিত। কারণ, এলটিটিই-র অতীত এবং সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অভিযোগ এখনও ভারতীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তামিল পরিচয় এবং আঞ্চলিক আবেগকে সামনে রেখে নিজের সমর্থনভিত্তি আরও মজবুত করতেই এই অবস্থান নিচ্ছেন বিজয়। তবে এর কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ ভারত-শ্রীলঙ্কা সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ধরনের মন্তব্য ভবিষ্যতে বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *