‘অত্যন্ত অসম্মানজনক’, ‘চুট্টামল্লে’র দৃশ্য বিকৃত করে ছড়ানোয় সরব জাহ্নবী

চুট্টামল্লে’র দৃশ্য বিকৃত করে ছড়ানোয় সরব জাহ্নবী ‘দেবরা: পার্ট ১’-এর জনপ্রিয় গান ‘চুট্টামল্লে’-তে জাহ্নবী কপূরের দৃশ্য ব্যবহার করে বিকৃত ভিডিয়ো ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে সমাজমাধ্যমে। প্রযুক্তির অপব্যবহারে তাঁর দৃশ্যকে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ…

October 5, 2026
1 min read

চুট্টামল্লে’র দৃশ্য বিকৃত করে ছড়ানোয় সরব জাহ্নবী

‘দেবরা: পার্ট ১’-এর জনপ্রিয় গান ‘চুট্টামল্লে’-তে জাহ্নবী কপূরের দৃশ্য ব্যবহার করে বিকৃত ভিডিয়ো ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে সমাজমাধ্যমে। প্রযুক্তির অপব্যবহারে তাঁর দৃশ্যকে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে উপস্থাপনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, কোনও মহিলার সম্মতি ছাড়া তাঁকে এ ভাবে উপস্থাপন করা শুধু অসম্মানজনক নয়, বৃহত্তর সামাজিক সমস্যারও অংশ।

২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দেবরা: পার্ট ১’-এ জুনিয়র এনটিআর এবং জাহ্নবী অভিনয় করেছিলেন। ছবির ‘চুট্টামল্লে’ গানটিও দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছিল। অভিযোগ, সেই গানের দৃশ্য ব্যবহার করে প্রযুক্তির সাহায্যে বিকৃত ভিডিয়ো তৈরি করা হয়। পরে সেটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও ভিডিয়োটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

রবিবার, ৪ অক্টোবর সমাজমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন জাহ্নবী। তিনি লেখেন, প্রযুক্তির অপরাধমূলক ব্যবহার করে নারীদের বস্তু হিসাবে দেখানো এবং তাঁদের সম্মতি ছাড়া কাল্পনিক বিষয় ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাঁর মতে, এই ধরনের ঘটনা যৌন নিগ্রহেরই একটি রূপ।

জাহ্নবী আরও জানান, তাঁর পরিচিত ইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রত্যেক মহিলাই কোনও না কোনও ভাবে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। তবে বিষয়টি শুধু বিনোদন জগতের মহিলাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যে ভাবে নারীদের ব্যক্তিগত মর্যাদা ও নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা গোটা সমাজের সমস্যা বলেই মনে করেন অভিনেত্রী।

তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল সম্মতির গুরুত্ব। কোনও মহিলা একটি বিষয়ে কয়েক দিন সম্মতি জানালেও পরে যদি মত বদলে ‘না’ বলেন, সেই ‘না’-কে সম্মান করতেই হবে—এই মৌলিক বিষয়টি এখনও অনেকে বুঝতে চান না বলে আক্ষেপ করেছেন জাহ্নবী।

পোশাক নিয়েও একই বার্তা দিয়েছেন তিনি। কোনও মহিলা মিনিস্কার্ট পরেছেন বলেই তাঁকে যৌন হেনস্থা করার অধিকার কারও জন্মায় না। একজন মহিলা কোন বিষয়ে স্বচ্ছন্দ, কোথায় তাঁর সীমারেখা এবং নিজের শরীর সম্পর্কে কী সিদ্ধান্ত নেবেন—সেই অধিকার একমাত্র তাঁরই।

জাহ্নবীর মতে, এত দিন যে নিরাপত্তাহীনতা মহিলাদের বাস্তব জীবনে প্রভাব ফেলেছে, প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সেই একই হুমকি আরও বড় আকারে ডিজিটাল দুনিয়াতেও দেখা দিচ্ছে। তাই শুধু মেয়েদের সতর্ক বা নিরাপদ থাকার পরামর্শ দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। অন্যের সম্মতি, ব্যক্তিগত পরিসর এবং মর্যাদাকে সম্মান করার মানসিকতা বদলানোই জরুরি—সেই কথাই নিজের পোস্টে তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *