ধর্মতলায় নয় ২১ জুলাইয়ের সভা, দুই তৃণমূলকেই অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলায় নয় ২১ জুলাইয়ের সভা! ২১ জুলাইয়ের ‘শহিদ দিবস’ উপলক্ষে ধর্মতলায় সভা করার অনুমতি পেল না তৃণমূলের কোনও শিবিরই। Kolkata Police জানিয়ে দিয়েছে, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় রাস্তা আটকে রাজনৈতিক…

June 30, 2026
1 min read

ধর্মতলায় নয় ২১ জুলাইয়ের সভা!

২১ জুলাইয়ের ‘শহিদ দিবস’ উপলক্ষে ধর্মতলায় সভা করার অনুমতি পেল না তৃণমূলের কোনও শিবিরই। Kolkata Police জানিয়ে দিয়েছে, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় রাস্তা আটকে রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না। ফলে কালীঘাটপন্থী এবং ঋতব্রতপন্থী— উভয় শিবিরের আবেদনই কার্যত খারিজ হয়ে গেল।

দুই পক্ষই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। তবে লালবাজারের অবস্থান স্পষ্ট— ওই এলাকায় জনসমাগম ঘটিয়ে রাজনৈতিক সভার অনুমতি দেওয়া হবে না।

এই সিদ্ধান্তের আগে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থল পরিমাপ করতে দেখা গিয়েছিল কালীঘাট শিবিরের Kunal Ghosh ও Dola Sen-সহ কয়েক জন নেতাকে। বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, কোথায় সভা হবে তা প্রশাসনই ঠিক করবে এবং প্রয়োজন হলে ব্রিগেড ময়দানে সভা করার পরামর্শও দেন। পরে রাস্তার যান চলাচলে বাধা দিয়ে মাপজোক করার অভিযোগে পুলিশ একটি মামলাও দায়ের করে।

পুলিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে কালীঘাট শিবিরের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ Subhashis Chakraborty বলেন, এখনও তাঁদের কাছে পুলিশের কোনও লিখিত চিঠি পৌঁছায়নি, তাই এই মুহূর্তে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থী শিবিরের নেতা Akhruzzaman জানান, তাঁরা শহিদ দিবস পালন করবেনই, তবে এমনভাবে যাতে সাধারণ মানুষের কোনও অসুবিধা না হয়। পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে দলের ভিতরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দলীয় বিভাজনের আবহে এ বছর ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। পরে Mamata Banerjee সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে জানান, আগের মতোই ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি করার প্রস্তুতি নিতে। তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, প্রশাসনের অনুমতিও মিলবে।

২১ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন Indian Youth Congress-এর সভাপতি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ ব্যারিকেড করে মিছিল আটকে দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালায়। ওই ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই দিনটিকে ‘শহিদ দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল।

গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অধিকাংশ বছরই ধর্মতলাতেই এই কর্মসূচি হয়েছে। তবে ২০১১ সালে ব্রিগেড ময়দানে এবং ২০২০ ও ২০২১ সালে মহামারির কারণে ধর্মতলায় সভা হয়নি। এবার পুলিশের সিদ্ধান্তে আবারও ঐতিহ্যবাহী সেই ভেন্যুতে কর্মসূচি হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics
TMC

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *