“এই ভেদাভেদে আজও গা গুলিয়ে ওঠে” — মাসাবাকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কঙ্গনা রনৌতের

মাসাবাকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কঙ্গনা রনৌতের! কঙ্গনা রনৌত মানেই স্পষ্ট ভাষা, খোলামেলা অভিযোগ আর বিতর্কের ঢেউ। এ বার তাঁর নিশানায় পোশাকশিল্পী মাসাবা গুপ্ত। অভিনেত্রী তথা সাংসদের দাবি, অযোধ্যা সফর নিয়ে…

January 19, 2026
1 min read

মাসাবাকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কঙ্গনা রনৌতের!

কঙ্গনা রনৌত মানেই স্পষ্ট ভাষা, খোলামেলা অভিযোগ আর বিতর্কের ঢেউ। এ বার তাঁর নিশানায় পোশাকশিল্পী মাসাবা গুপ্ত। অভিনেত্রী তথা সাংসদের দাবি, অযোধ্যা সফর নিয়ে একটি পোশাক সংক্রান্ত ঘটনায় তিনি গভীরভাবে আঘাত পেয়েছিলেন—যার রেশ আজও কাটেনি।

ঘটনাটি ‘তেজস’ ছবির প্রচারের সময়কার। সেই ছবির পোশাকশিল্পী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন মাসাবা। কঙ্গনার বক্তব্য, ছবির প্রচারের মধ্যেই অযোধ্যা যাওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে। তখনই নাকি মাসাবা স্পষ্ট করে জানান, তাঁর তৈরি শাড়ি পরে যেন কঙ্গনা অযোধ্যায় না যান।

কঙ্গনার কথায়,
“সাধারণত পোশাকশিল্পীরা চান, তাঁদের তৈরি পোশাক তারকারা পরে প্রকাশ্যে আসুন। কিন্তু এখানে ঠিক উল্টোটা ঘটেছিল।”

কঙ্গনা জানান, তিনি মাসাবার তৈরি শাড়ি পরেই অযোধ্যা গিয়েছিলেন। সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ভাইরালও হয়েছিল। কিন্তু মাসাবা নিজে সেই ছবি শেয়ার করেননি, এমনকি স্টাইলিস্টও তাঁকে ট্যাগ করেননি। কঙ্গনার প্রশ্ন,
“যখন গোটা নেটপাড়া সেই ছবিতে ভরে গিয়েছিল, তখন উনি কেন একটি ছবিও শেয়ার করলেন না?”

কঙ্গনার দাবি, রামমন্দির বা অযোধ্যার সঙ্গে কোনও ধরনের সংযোগেই যেতে চাননি মাসাবা। আর এই মানসিকতাই তাঁকে সবচেয়ে কষ্ট দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন,
“আমাকে অনেক পোশাকশিল্পীই হয়তো পছন্দ করেন না, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু এই ঘটনাটা আমাকে ভীষণ আঘাত করেছিল।”

ঘটনার আরও একটি দিক তুলে ধরেন কঙ্গনা। তাঁর দাবি, মাসাবা শাড়িটি স্টাইলিস্টকে পাঠিয়েছিলেন শুধু ছবির প্রচারের জন্য। স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল, অযোধ্যায় যেন সেই শাড়ি পরে না যাওয়া হয়। বিষয়টি জানার পর স্টাইলিস্ট নাকি নিজের পকেট থেকে শাড়িটির দাম মিটিয়ে দেন এবং কঙ্গনাকে অনুরোধ করেন, যেন মাসাবাকে কোনও ছবিতে ট্যাগ না করা হয়।

কঙ্গনার কথায়,
“আমি তখন রাস্তায় ছিলাম। পরে বিষয়টা জানতে পারি। সেই মুহূর্তে এতটাই খারাপ লেগেছিল যে আজও ভাবলে শরীর খারাপ লাগে। এই ভেদাভেদ, এই তিক্ততা—আমার পেট গুলিয়ে ওঠে।”

এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরও মাসাবা গুপ্ত বা তাঁর টিমের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

কঙ্গনার বক্তব্যে স্পষ্ট—এটা শুধু একটি শাড়ির গল্প নয়, বরং মানসিকতা, অবস্থান এবং আদর্শের সংঘাত। তিনি মনে করেন, এই ধরনের আলাদা করে দেখার প্রবণতা সমাজকে আরও বিভক্ত করে।

এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, তা সময়ই বলবে। তবে কঙ্গনার অভিযোগ ফের এক বার প্রমাণ করল—তিনি চুপ করে সহ্য করার মানুষ নন, আঘাত পেলে প্রকাশ্যেই তা বলতেই ভালোবাসেন।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *