রামমন্দিরের প্রণামী চুরির তদন্তে বড় স্বস্তি চম্পত রায়ের, সিটের চূড়ান্ত রিপোর্টে ক্লিনচিট

রামমন্দিরের প্রণামী চুরির তদন্তে বড় স্বস্তি চম্পত রায়ের! অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রণামীর টাকা চুরির অভিযোগ ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার তদন্তে বড়সড় মোড়। মন্দির পরিচালনাকারী ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ…

August 18, 2026
1 min read

রামমন্দিরের প্রণামী চুরির তদন্তে বড় স্বস্তি চম্পত রায়ের!

অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রণামীর টাকা চুরির অভিযোগ ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার তদন্তে বড়সড় মোড়। মন্দির পরিচালনাকারী ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়কে এই দুর্নীতিকাণ্ডে জড়িত নন বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। সূত্রের দাবি, একই রিপোর্টে ট্রাস্টের প্রাক্তন সদস্য অনিল মিশ্রকেও ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে।

সিটের চূড়ান্ত রিপোর্ট ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র দফতর খতিয়ে দেখেছে। সোমবার সেই রিপোর্ট শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখন রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবে ট্রাস্ট।

চম্পত-অনিলের বিরুদ্ধে কী উঠে এল তদন্তে?

প্রণামী নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর চম্পত রায় এবং অনিল মিশ্র—দু’জনেই নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সূত্রের দাবি, সিটের চূড়ান্ত তদন্তে দু’জনের বিরুদ্ধেই সরাসরি দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

তবে বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। রামমন্দিরের প্রণামী চুরি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে নতুন একটি সিটও তদন্ত চালাচ্ছে। ফলে সামগ্রিক তদন্তের ফলাফল এখনও সম্পূর্ণ ভাবে সামনে আসেনি।

কী ভাবে সামনে আসে প্রণামী চুরির অভিযোগ?

গত ৭ জুন রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রণামীর টাকা চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হলে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর উত্তরপ্রদেশ পুলিশ একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে।

লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্থের নেতৃত্বে শুরু হয় তদন্ত। গত ২৩ জুন সিট তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব সঞ্জয় প্রসাদের কাছে জমা দেয়। পরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

কয়েক কোটি টাকা লুটের অভিযোগ

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, গত দু’বছরে ভক্তদের দেওয়া কয়েক কোটি টাকা প্রণামী লুট হয়েছে। দানের টাকা গোনার দায়িত্বে থাকা কয়েক জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাশাপাশি মন্দির ট্রাস্টের সদস্য ও পদাধিকারীদের একাংশের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছিল।

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ধৃতদের অধিকাংশই দানের টাকা গোনার কাজে যুক্ত ছিলেন।

আটক ও গ্রেফতারের পরই জুনের শেষ সপ্তাহে চম্পত রায় ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দেন। একই সময়ে অনিল মিশ্রও ট্রাস্টি পদ ছেড়ে দেন।

তবে সিটের চূড়ান্ত রিপোর্টে চম্পত রায় ও অনিল মিশ্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার প্রমাণ না মেলায় আপাতত তাঁদের স্বস্তি মিলেছে। যদিও এই ঘটনায় সমান্তরাল ভাবে চলতে থাকা অন্য তদন্তের দিকে নজর থাকবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *