রামমন্দিরের প্রণামী চুরি মামলায় নতুন মোড়, প্রাক্তন ট্রাস্টপ্রধান চম্পত রাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

রামমন্দিরের প্রণামী চুরি মামলায় নতুন মোড়! অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রণামীর টাকা চুরির ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন মোড় নিচ্ছে মামলা। এবার ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত…

July 2, 2026
1 min read

রামমন্দিরের প্রণামী চুরি মামলায় নতুন মোড়!

অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রণামীর টাকা চুরির ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন মোড় নিচ্ছে মামলা। এবার ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন অযোধ্যার একদল আইনজীবী। তাঁদের দাবি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রয়োজন হলে চম্পতের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হোক।

রামমন্দিরের প্রণামী তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই চম্পত রাইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন স্থানীয় আইনজীবীদের একাংশ। এমনকি তিনি অযোধ্যা না ছাড়লে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার আইনজীবীরা রাম জন্মভূমি থানায় গিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া আট জনের অন্যতম রামশঙ্কর যাদব ওরফে তিনু যাদব দীর্ঘদিন চম্পত রাইয়ের গাড়ির চালক ছিলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ঘনিষ্ঠ মহলে চম্পত জানিয়েছেন, প্রণামী চুরির ঘটনার নেপথ্যে মূল ভূমিকা তিনু যাদবেরই থাকতে পারে। তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই এই জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে।

বিতর্কের জেরে ইতিমধ্যেই ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন চম্পত রাই। তাঁর বক্তব্য, তদন্ত যাতে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে এগোতে পারে, সেই কারণেই তিনি দায়িত্ব ছেড়েছেন। তবে পদত্যাগের পরেও বিতর্ক থামেনি। আইনজীবীদের অভিযোগে চম্পতের পাশাপাশি ট্রাস্টের আরও দুই সদস্য অনিল মিশ্র ও গোপাল রাওয়ের নামও রয়েছে।

এদিকে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) মামলার তদন্ত আরও বিস্তৃত করছে বলে জানা গিয়েছে। শীঘ্রই ট্রাস্টের বৈঠকেও এই বিষয়টি আলোচনায় উঠতে পারে। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।

এখনও পর্যন্ত এই মামলায় মোট আট জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তিনু যাদব, অবিনাশ শুক্ল, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মণীশকুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তব। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগপত্র জমা পড়ার আগেই তদন্তকারীরা চম্পত রাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এবং তাঁর বয়ানও নথিভুক্ত করেছেন। যদিও সেই জিজ্ঞাসাবাদের সময় ও স্থান সম্পর্কে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রণামী তহবিল সংক্রান্ত একাধিক নথি ও তথ্যও চম্পতের কাছে চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ধৃত তিনু যাদবের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ অর্থ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, রামমন্দিরের দানবাক্স থেকে সংগৃহীত অর্থ গণনার জন্য বেসমেন্টে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল তাঁর উপর। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই প্রণামীর টাকা আত্মসাতের ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এই সমস্ত অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ার উপরই নির্ভর করবে মামলার পরবর্তী গতিপথ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *