মুখ্যমন্ত্রীর

জনতার দরবারে’ গিয়ে কী দেখলেন ঋদ্ধি? মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে আশাবাদী সঙ্গীতশিল্পী

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে আশাবাদী সঙ্গীতশিল্পী! বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’ ঘিরে মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সেই দরবারে হাজির হয়ে নিজের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও…

June 8, 2026
0 min read

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে আশাবাদী সঙ্গীতশিল্পী!

বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’ ঘিরে মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সেই দরবারে হাজির হয়ে নিজের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও অভিযোগ তুলে ধরেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন তিনি।

ঋদ্ধির অভিযোগ, গত ১২ বছরে তিনি কোনও সরকারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি। তাঁর দাবি, আগের সরকারের আমলে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা থাকলেই শিল্পীদের কাজের সুযোগ মিলত। এই কারণেই তিনি দীর্ঘ দিন বঞ্চিত হয়েছেন বলে মনে করেন।

তিনি জানান, প্রথমে লিখিত আকারে নিজের অভিযোগ জমা দেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে খুব দ্রুত তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। ঋদ্ধির কথায়, বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করেই মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছেন, যা তাঁকে আশাবাদী করেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, তিনি ধৈর্য সহকারে সব কথা শুনেছেন এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি যাতে আর তৈরি না হয়, সেই আশ্বাসও দিয়েছেন। তাঁর মতে, কোনও শিল্পীকে অনানুষ্ঠানিক ভাবে ‘নিষিদ্ধ’ করে দেওয়ার অধিকার কারও নেই। শিল্পীরা তাঁদের প্রতিভা ও পরিশ্রমের জোরেই নিজেদের জায়গা তৈরি করেন।

ঋদ্ধি আরও জানান, তিনি একা নন— সেই দিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু সাধারণ মানুষও নিজেদের সমস্যা নিয়ে ‘জনতার দরবারে’ এসেছিলেন। কেউ জমিজমা সংক্রান্ত অভিযোগ, কেউ প্রশাসনিক জটিলতা, আবার কেউ ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানের আশায় উপস্থিত হন। তাঁর দাবি, প্রত্যেকের বক্তব্য গুরুত্ব দিয়েই শোনা হয়েছে।

বিশেষ করে দরবারে কর্মরত কর্মকর্তাদের আচরণ তাঁকে মুগ্ধ করেছে। ঋদ্ধির কথায়, সকলের সঙ্গে অত্যন্ত ভদ্র ও সম্মানজনক ব্যবহার করা হয়েছে। প্রবীণ নাগরিকদের প্রতিও ছিল বিশেষ সংবেদনশীলতা। তিনি জানান, দুই বয়স্ক মানুষ জমি সংক্রান্ত সমস্যার অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন এবং তাঁদের বক্তব্যও মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়েছে।

তবে শুধু নিজের সমস্যার সমাধান নয়, বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিসরে সমান সুযোগের পরিবেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশাও প্রকাশ করেছেন ঋদ্ধি। তাঁর মতে, আগে যারা কাজ পেতেন, তাদের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাক— এমনটা তিনি চান না। বরং যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাই যেন সমান সুযোগ পান, সেটাই হওয়া উচিত।

সঙ্গীতশিল্পীর আশা, নতুন প্রশাসনের অধীনে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হবে, যেখানে কোনও শিল্পী বা সাধারণ মানুষকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার করা হবে না। অভিযোগ শোনা, সমস্যার সমাধান এবং সুযোগের সমতা— এই তিনটি বিষয়ই ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *