শাহের বৈঠকেই চূড়ান্ত হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর নাম!
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? সেই জল্পনার উত্তর মিলতে পারে শুক্রবারই। কারণ, ওই দিন কলকাতায় এসে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেই বৈঠকেই স্থির হয়ে যাবে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা এবং কার্যত নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম।
শনিবার সকালে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড-এ নতুন বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে শুক্রবার বিকেলে ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শাহ। বৈঠক হবে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার-এ। বিজেপির সাংগঠনিক রীতি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতেই পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হয়। এ বার সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শাহকে। সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন মোহনচরণ মাঝি।
বিজেপির অন্দরে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা ঘিরে শুভেন্দু অধিকারী-কে। অনেকের মতে, মুখ্যমন্ত্রী পদের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার তিনিই। কারণ, পরপর দু’টি নির্বাচনে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে পরাজিত করেছেন। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়ে রাজনৈতিকভাবে বড় চমক দিয়েছিলেন শুভেন্দু। আর ২০২৬ সালে ভবানীপুরে আরও বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে সেই অবস্থান আরও মজবুত করেছেন।
শুধু ভবানীপুর নয়, এ বার নন্দীগ্রাম থেকেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু। বিজেপির একাংশ মনে করছে, রাজ্যে দলের এই সাফল্যের অন্যতম মুখ হওয়ায় তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করা স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত হবে। তবে বিজেপি নেতৃত্ব এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও নাম ঘোষণা করেনি। ফলে জল্পনা থেকেই যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে যাঁর নাম পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে চূড়ান্ত হবে, তিনিই সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। তার পর শনিবার শপথ নেবে নতুন সরকার।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এ বার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দীর্ঘ সময় বিরোধী আসনে থাকার পর বিজেপি প্রথম বার সরকার গঠনের পথে। তাই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে সামনে আনা হয়, তার উপরই অনেকটাই নির্ভর করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? সেই জল্পনার উত্তর মিলতে পারে শুক্রবারই। কারণ, ওই দিন কলকাতায় এসে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেই বৈঠকেই স্থির হয়ে যাবে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা এবং কার্যত নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম।
শনিবার সকালে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড-এ নতুন বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে শুক্রবার বিকেলে ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শাহ। বৈঠক হবে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার-এ। বিজেপির সাংগঠনিক রীতি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতেই পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হয়। এ বার সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শাহকে। সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন মোহনচরণ মাঝি।
বিজেপির অন্দরে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা ঘিরে শুভেন্দু অধিকারী-কে। অনেকের মতে, মুখ্যমন্ত্রী পদের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার তিনিই। কারণ, পরপর দু’টি নির্বাচনে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে পরাজিত করেছেন। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়ে রাজনৈতিকভাবে বড় চমক দিয়েছিলেন শুভেন্দু। আর ২০২৬ সালে ভবানীপুরে আরও বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে সেই অবস্থান আরও মজবুত করেছেন।
শুধু ভবানীপুর নয়, এ বার নন্দীগ্রাম থেকেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু। বিজেপির একাংশ মনে করছে, রাজ্যে দলের এই সাফল্যের অন্যতম মুখ হওয়ায় তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করা স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত হবে। তবে বিজেপি নেতৃত্ব এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও নাম ঘোষণা করেনি। ফলে জল্পনা থেকেই যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে যাঁর নাম পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে চূড়ান্ত হবে, তিনিই সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। তার পর শনিবার শপথ নেবে নতুন সরকার।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এ বার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দীর্ঘ সময় বিরোধী আসনে থাকার পর বিজেপি প্রথম বার সরকার গঠনের পথে। তাই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে সামনে আনা হয়, তার উপরই অনেকটাই নির্ভর করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা