ব্যাগে পিস্তল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎপ্রার্থী শিক্ষক! পুলিশের জেরার পর মুক্তি পেলেন

ব্যাগে পিস্তল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎপ্রার্থী শিক্ষক! একটি অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে কলকাতায় — মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অদূরে হাজরা মোড়ে এক প্রৌঢ়কে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করে পুলিশ। পরে জানা যায়, তাঁর…

October 10, 2025
1 min read

ব্যাগে পিস্তল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎপ্রার্থী শিক্ষক!

একটি অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে কলকাতায় — মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অদূরে হাজরা মোড়ে এক প্রৌঢ়কে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করে পুলিশ। পরে জানা যায়, তাঁর ব্যাগে ছিল একটি এয়ারগান, যা নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন।

TechnoSports বাংলা–এর প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রৌঢ়ের কাছে অস্ত্রের বৈধ কাগজপত্রও ছিল এবং দীর্ঘ জেরার পর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

🧾 ঘটনার বিবরণ

তথ্যবিস্তারিত
নামদেবাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়
বয়স৫১ বছর
পেশাশিক্ষক ও আইনজীবী (একটি ল’ ফার্ম পরিচালনা করেন)
বাসস্থানসল্টলেক, কলকাতা
অস্ত্রের ধরনএয়ারগান (বৈধ লাইসেন্সসহ)
ঘটনাস্থলহাজরা মোড়, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অদূরে
থানাকালীঘাট থানা
অভিযান সময়বৃহস্পতিবার বিকেল

👮‍♂️ পুলিশি পদক্ষেপ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবাঞ্জনবাবু শ্রীরামপুর রাইফেল ক্লাবের সদস্য, এবং নিয়মিতভাবে আইনজীবী হিসেবে অপরাধী মামলায় কাজ করেন। বৃহস্পতিবার কালীঘাট এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে নিরাপত্তারক্ষীরা সন্দেহ করেন। তাঁর ব্যাগে এয়ারগান দেখতে পেয়ে পুলিশ তাঁকে কালীঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং কয়েক ঘণ্টা জেরা করার পর মুক্তি দেয়।


🗣️ দেবাঞ্জনবাবুর বক্তব্য

দেবাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় আনন্দবাজার অনলাইনকে বলেন,

“আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমার কিছু আর্জি নিয়ে। গাড়ি থেকে নামার সময় নিরাপত্তারক্ষীদের নিজেই এয়ারগান দেখাই। তবু আমাকে আটক করা হয়। যদিও কেউ খারাপ ব্যবহার করেননি, তবে ছ’ঘণ্টা জেরা করে হেনস্থা করা হয়েছে।”

তিনি জানান, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের টাকা এখনও পাননি। সেই বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন।


🔫 এয়ারগানের বৈধতা ও ব্যবহার

বিষয়তথ্য
অস্ত্রের ধরনএয়ারগান (non-lethal)
ব্যবহারপাখি শিকার বা প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে
লাইসেন্সবৈধ নথি পুলিশের সামনে পেশ
উদ্ধারএয়ারগান ও কিছু গুলি

পুলিশের বক্তব্য, “অস্ত্র ও কাগজপত্র বৈধ হওয়ায় এবং অপরাধমূলক উদ্দেশ্যের প্রমাণ না থাকায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।”


📰 ঘটনার গুরুত্ব

এই ঘটনা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ভিআইপি প্রোটেকশন নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ধরনের ঘটনায় নাগরিকদেরও সতর্ক থাকা উচিত — কোনো বৈধ অস্ত্র নিয়েই সংবেদনশীল এলাকায় প্রবেশের আগে স্থানীয় থানাকে জানানো প্রয়োজন।


🔗 আরও পড়ুন:


✅ উপসংহার

একটি ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, পুলিশি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে প্রৌঢ়ের উদ্দেশ্য নিরীহ। তবে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে পুলিশের সতর্কতা একেবারেই স্বাভাবিক।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *