ছোটবেলা থেকেই শরীর নিয়ে কটূক্তি শুনেছেন Bharti Singh!
আজ তিনি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী ও সঞ্চালক। কিন্তু ছোটবেলায় শরীরের গঠন নিয়েই বার বার কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল Bharti Singh-কে। সম্প্রতি নিজের জীবনের সেই কঠিন অভিজ্ঞতার কথা খোলাখুলি ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।
ভারতী জানান, তিনি যখন বড় হচ্ছিলেন, তখন সমাজে শরীর বা গায়ের রং নিয়ে মন্তব্য করাকে খুব স্বাভাবিক ব্যাপার বলে ধরা হত। কেউ একটু মোটা হলেই তাকে “মোটা” বলে ডাকা হত, আবার শ্যামলা রং নিয়ে কটাক্ষও ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। তখন খুব কম মানুষই ভাবতেন, এই ধরনের মন্তব্য একজনের আত্মসম্মান বা মানসিক অবস্থায় কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।
কৌতুকশিল্পীর কথায়, শুধু বাইরের মানুষ নন, পরিবারের কাছ থেকেও তাঁকে এই ধরনের কথা শুনতে হত। ভারতী জানান, তাঁর মা মাঝেমধ্যেই বলতেন, “আর কত খাবি? এত খেলে মোটা হয়ে যাবি।” ছোটবেলায় এসব শুনতে শুনতেই বড় হয়েছেন তিনি। তখন হয়তো বিষয়টাকে স্বাভাবিক ভাবেই নিয়েছিলেন, কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারেন, এই ধরনের মন্তব্য একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে এত কটূক্তির মধ্যেও নিজেকে ভেঙে পড়তে দেননি ভারতী। বরং নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে বিনোদন জগতে এসেও তিনি দেখেছেন, শরীর নিয়ে মজা বা অপমানকে অনেক সময় হাসির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের অবস্থান বদলান।
ভারতীর মতে, কাউকে ছোট করে বা অপমান করে হাসি পাওয়া উচিত নয়। তিনি নিজেও সচেতন ভাবে সেই ধরনের কৌতুক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন।
আজ Bharti Singh শুধু একজন সফল কৌতুকশিল্পী নন, অনেকের কাছেই আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। তিনি বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন, একজন মানুষের পরিচয় তাঁর চেহারায় নয়, প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বেই তৈরি হয়।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা