শামির ‘বেস্ট আইকিউ’ পুরস্কার ঘিরে বিতর্ক!
আইপিএলের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের পরেও বিতর্ক যেন থামছেই না। Lucknow Super Giants বনাম Kolkata Knight Riders ম্যাচের পর নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন Mohammed Shami। কারণ, তাঁকে দেওয়া হয়েছে ‘বেস্ট আইকিউ অ্যাওয়ার্ড’— আর সেটাই ভালোভাবে নিতে পারেননি কেকেআর সমর্থকদের একাংশ।
ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয় পরিস্থিতিতে শামি শেষ বলে ছক্কা মেরে দলকে সুপার ওভারে নিয়ে যান— যা নিঃসন্দেহে বড় মুহূর্ত। কিন্তু বিতর্কের মূল কারণ অন্য জায়গায়। কেকেআরের তরুণ ব্যাটার Angkrish Raghuvanshi-র আউট হওয়া নিয়েই শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক।
ঘটনাটি ছিল বেশ অদ্ভুত। রান নেওয়ার সময় রঘুবংশী ক্রিজে ফেরার পথে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করেন। সেই সময় শামি উইকেট লক্ষ্য করে বল ছোড়েন, যা গিয়ে লাগে রঘুবংশীর শরীরে। লখনউ শিবিরের তরফে ‘ফিল্ডিংয়ে বাধা’ (obstructing the field) বলে আবেদন করা হয়। প্রথমে অধিনায়ক ঋষভ পন্থ আবেদন না করলেও, শামির ইঙ্গিতের পর তা করা হয়। রিপ্লে দেখে তৃতীয় আম্পায়ার রঘুবংশীকে আউট ঘোষণা করেন।
এই সিদ্ধান্ত আইন অনুযায়ী সঠিক হলেও, তা নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছে। ম্যাচের পরে লখনউ ড্রেসিংরুমে শামিকে ‘সবচেয়ে বুদ্ধিমান ক্রিকেটার’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়। কোচ Lance Klusener বলেন, চাপের মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই বিতর্কিত রান আউট— দু’টিই এই পুরস্কারের কারণ।
এখানেই ক্ষোভের সূত্রপাত। কেকেআর সমর্থকদের একাংশ মনে করছেন, এই পুরস্কার দেওয়া আসলে ওই ঘটনাকেই ‘সমর্থন’ করা। তাঁদের অভিযোগ— শামি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাটারের শরীর লক্ষ্য করে বল ছুড়েছিলেন। যদিও নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাটার যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডিংয়ে বাধা দেন, তবে তাঁকে আউট দেওয়া যায়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ঘটনার জন্য শাস্তিও পেয়েছেন রঘুবংশী। আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে— যা আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে আরও জোরালো করে।
সব মিলিয়ে, ক্রিকেট মাঠে নিয়ম বনাম নৈতিকতার চিরাচরিত বিতর্ক আবারও সামনে এল। একদল বলছেন— নিয়ম মেনেই আউট, অন্যদল বলছেন— খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব কোথায়?
আইপিএলের মতো মঞ্চে এমন বিতর্ক নতুন নয়। তবে এই ঘটনাটি আবার মনে করিয়ে দিল— ক্রিকেট শুধু ব্যাট-বলের লড়াই নয়, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আবেগ, ব্যাখ্যা আর মতের ভিন্নতাও।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?