ইরানি কাপের নায়ক আকাশ-মুকেশ এ বার ভারত ‘এ’ দলে, দুই ছাত্রের কামব্যাকে গর্বিত লক্ষ্মী

ইরানি কাপের নায়ক আকাশ-মুকেশ! ইরানি কাপে জম্মু-কাশ্মীরকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে অবশিষ্ট ভারত। আর সেই জয়ের অন্যতম দুই নায়ক বাংলার পেসার আকাশদীপ ও মুকেশ কুমার। এ বার তাঁদের পুরস্কারও মিলল। নিউ…

October 7, 2026
1 min read

ইরানি কাপের নায়ক আকাশ-মুকেশ!

ইরানি কাপে জম্মু-কাশ্মীরকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে অবশিষ্ট ভারত। আর সেই জয়ের অন্যতম দুই নায়ক বাংলার পেসার আকাশদীপ ও মুকেশ কুমার। এ বার তাঁদের পুরস্কারও মিলল। নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ের জন্য ঘোষিত ভারত ‘এ’ দলে জায়গা করে নিয়েছেন দুই পেসার। দুই ছাত্রের এই প্রত্যাবর্তনে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি বাংলার প্রধান কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল।

এ বারের ইরানি কাপ ফাইনালে অবশিষ্ট ভারতের কোচ ছিলেন লক্ষ্মী। তাঁর চোখের সামনেই দুরন্ত বোলিং করেছেন আকাশ এবং মুকেশ। দুই ইনিংস মিলিয়ে মুকেশ নিয়েছেন আট উইকেট, আকাশের শিকার ছয়। অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীরের ২০টি উইকেটের মধ্যে ১৪টিই এসেছে এই দুই পেসারের হাত ধরে।

দুই ক্রিকেটারের উত্থানকে গত চার বছরের অন্যতম বড় গল্প বলে মনে করেন লক্ষ্মী। আকাশদীপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতের হয়ে টেস্ট খেলার পরেও ইডেনের ডরমিটরিতে থেকে যাওয়া তাঁর লড়াইয়ের অন্যতম উদাহরণ। সেই জায়গা থেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হয়ে ওঠা সহজ ছিল না।

মুকেশের প্রত্যাবর্তনও লক্ষ্মীর কাছে বিশেষ। গত দু’বছর ধরে ভারতীয় দলের বাইরে ছিলেন এই পেসার। ইরানি কাপের আগে মুকেশকে লক্ষ্মী বলেছিলেন, কামব্যাক করতে হলে এই ম্যাচকেই সুযোগ হিসাবে নিতে হবে। মুকেশ ঠিক সেটাই করে দেখিয়েছেন।

আকাশদীপের গল্পেও রয়েছে দীর্ঘ অপেক্ষা। ইংল্যান্ড সফরের পর চোটের কারণে প্রায় আট মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। তার আগে বাংলার হয়ে রঞ্জি সেমিফাইনালে খেলেছিলেন। পরে উৎকর্ষ কেন্দ্রে পুনর্বাসন ও প্রস্তুতি সেরে ফিরে এসে ইরানি কাপে নিজের পুরনো ছন্দ দেখিয়েছেন।

লক্ষ্মীর মতে, প্রত্যাবর্তনের পর আকাশের গতি আরও নজরকাড়া। ঘণ্টায় প্রায় ১৪৪-১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল করছেন তিনি। দীর্ঘ চোটের পর এমন বোলিংকে অসাধারণ কামব্যাক বলেই মনে করছেন বাংলার কোচ।

আকাশের ব্যক্তিগত লড়াইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন লক্ষ্মী। পরিবারে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ক্রিকেটে মনোযোগ ধরে রেখেছেন এই পেসার। তাঁর দিদি ক্যানসারে আক্রান্ত। এর মধ্যে নিজের বিয়েও হয়েছে। স্ত্রী এবং পরিবারের সমর্থন আকাশকে কঠিন সময় পার করতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন লক্ষ্মী।

দুই পেসারের সাফল্যের কৃতিত্ব অবশ্য নিজের দিকে নিতে চান না বাংলার কোচ। তাঁর বক্তব্য, তিনি শুধু আকাশ এবং মুকেশকে উৎসাহ দিয়ে গিয়েছেন। আসল পরিশ্রম করেছেন দুই ক্রিকেটারই।

ইরানি কাপের দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর এ বার ভারত ‘এ’ দলের জার্সি। জাতীয় দলে ফেরার দরজা খুলতে আকাশদীপ এবং মুকেশের সামনে এটিই নতুন সুযোগ। আর তাঁদের এই কামব্যাক দেখে সবচেয়ে বেশি খুশি তাঁদের কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *