সেলিনা জেটলির আবেদন খারিজ!
পরিবারের ভাঙন কখনও কখনও আদালতের দরজায় পৌঁছে যায়। ঠিক তেমনই এক সংবেদনশীল ঘটনায় এবার সামনে এলেন বলিউড অভিনেত্রী Celina Jaitly। তাঁর ভাই Vikrant Jaitly-এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের আবেদন খারিজ করে দিল Delhi High Court।
কী ঘটেছে?
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আটকে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনা আধিকারিক বিক্রান্ত জেটলি। ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করেছিলেন সেলিনা।
তবে আদালতে শুনানির সময় পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।
ভাইয়ের স্পষ্ট অবস্থান
আদালতকে জানানো হয়, বিক্রান্ত ইতিমধ্যেই United Arab Emirates-এ অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কিছু সহায়তা পেয়েছেন। কিন্তু তিনি কোনও অতিরিক্ত আইনি সহায়তা নিতে আগ্রহী নন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়— তিনি নিজের দিদির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখতে চান না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।
আইনি সহায়তাও প্রত্যাখ্যান
সেলিনা আদালতে অনুরোধ করেছিলেন, তাঁর ভাইয়ের আইনি খরচের ব্যবস্থা করতে সাহায্য করা হোক। এমনকি একটি আইন সংস্থা বিনা খরচে সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছিল।
কিন্তু বিক্রান্ত সেই প্রস্তাবও নাকচ করে দেন। তিনি জানান, কোনও আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করার প্রয়োজন তিনি মনে করছেন না।
ব্যক্তিগত যোগাযোগেও না
শুধু আইনি সহায়তা নয়, ভাইয়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগও চেয়েছিলেন সেলিনা। কিন্তু সেই অনুরোধও প্রত্যাখ্যান করেন বিক্রান্ত।
শুনানির সময় তাঁর স্ত্রীও আদালতের কাছে অনুরোধ করেন, যাতে এই মামলার ব্যক্তিগত দিকগুলি প্রকাশ্যে না আসে।
কেন এই পরিস্থিতি?
২০২৪ সালে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বিতর্কে বিক্রান্ত জেটলির নাম জড়ায়। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আটকে রয়েছেন বলে জানা যায়।
তবে পরিবারিক সম্পর্কের এই দূরত্বের সঠিক কারণ প্রকাশ্যে আসেনি।
আদালতের সিদ্ধান্ত
সব দিক বিবেচনা করে Delhi High Court সেলিনা জেটলির আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, যেহেতু বিক্রান্ত নিজে কোনও সহায়তা বা যোগাযোগ চান না, তাই জোর করে তা চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
শেষ কথা
এই ঘটনা শুধু আইনি নয়, গভীরভাবে ব্যক্তিগতও। একদিকে একজন দিদির উদ্বেগ, অন্যদিকে ভাইয়ের স্পষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত— দুইয়ের সংঘাতে শেষ পর্যন্ত আইনের পথই নির্ধারক হয়ে উঠল।
পরিস্থিতি ভবিষ্যতে বদলাবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আপাতত এই মামলায় সম্পর্কের দূরত্বই সবচেয়ে বড় সত্য হিসেবে সামনে এসেছে।
ধীরে ধীরে কমান চিনির অভ্যাস: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর কয়েকটি সহজ উপায়