পুজোয় দীপিকার মতো ‘ম্যাট মেকআপ’ করার সহজ কৌশল!
পুজোর দিনে প্যান্ডেল ঘুরতে ঘুরতে ঘাম তো হবে, আর ঘামের সঙ্গে মিলিয়ে মেকআপ যদি গলে যায়, তাহলে সারাদিনের সাজটাই মাটি হয়ে যাবে। তাই প্রয়োজন দীর্ঘস্থায়ী, ঘাম-প্রতিরোধী মেকআপ, যা আপনাকে সারাদিন উজ্জ্বল রাখবে। দীপিকা পাড়ুকোন থেকে ক্যাটরিনা কইফ, বলিউডের তারকাদের প্রিয় স্টাইল হলো ম্যাট মেকআপ। পুজোয় আপনি চাইলে এই কৌশলগুলো অনুসরণ করে তারকার মতো লুক পেতে পারেন।
১. আইস ফেশিয়াল
মেকআপের আগে বরফ দিয়ে মুখ ঘষুন বা বরফ জলে ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের ছিদ্র সঙ্কুচিত হবে এবং ঘাম কমবে। ভারী মেকআপের বদলে ন্যাচারাল লুক বেছে নিন। দুপুরে বাইরে গেলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন।
২. ক্লিনজ়িং ও প্রাইমার
ত্বককে প্রস্তুত করা মেকআপের জন্য অত্যন্ত জরুরি। প্রথমে ভাল মানের ক্লিনজ়ার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার করুন, যাতে ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত না হয়। কিছু সময়ের পর ম্যাটিফাইং প্রাইমার ব্যবহার করুন। টি-জ়োন অর্থাৎ কপাল, নাক ও থুতনিতে বেশি তেল উৎপন্ন হয়, তাই এই অংশগুলোতে প্রাইমার ভালোভাবে লাগানো জরুরি।
৩. ম্যাট ফাউন্ডেশন
ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে হালকা বেস ব্যবহার করুন। ওয়াটার-বেসড লিকুইড ফাউন্ডেশন চয়ন করলে ত্বক সহজে শ্বাস নেবে এবং সারাদিন ম্যাট ফিনিশ থাকবে।
৪. ম্যাট কনসিলার
ত্বকে দাগছোপ থাকলে ম্যাট কনসিলার ব্যবহার করুন। ত্বকের রঙের চেয়ে এক শেড হালকা কনসিলার নিন। চোখের নীচে ও দাগের উপর আলতো করে লাগিয়ে আঙুল বা স্পঞ্জ দিয়ে মিশিয়ে নিন, যাতে স্বাভাবিক লুক বজায় থাকে।
৫. পাউডার
ম্যাট মেকআপ সম্পূর্ণ করতে হবে ট্রান্সলুসেন্ট সেটিং পাউডার বা ম্যাট ফিনিশ পাউডার দিয়ে। ব্রাশ দিয়ে হালকা আঘাত করে মুখে পাউডার ছড়িয়ে দিন। বিশেষ করে টি-জ়োন এবং চোখের নীচের অংশ ভালোভাবে মাখতে হবে, যাতে ঘাম ও তৈলাক্ত ভাব না দেখা দেয়।
এই সহজ ধাপগুলো অনুসরণ করলে পুজোর সারাদিন মুখে লাবণ্য বজায় থাকবে। ঘাম ও তৈলাক্ত ভাব কম থাকবে, আর মেকআপ গলে যাওয়ার ভয়ও থাকবে না। দীপিকা, ক্যাটরিনা বা অন্যান্য তারকার মতো আপনি নিজেই সহজেই ম্যাট লুক তৈরি করতে পারবেন।
মনে রাখবেন, মেকআপের আগে ত্বকের যত্ন নেওয়া এবং হালকা, দীর্ঘস্থায়ী পণ্য বেছে নেওয়া সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এতে দিনভর ফ্রেশ ও ঝলমলে লুক নিশ্চিত হবে, আর পুজোর ভিড়েও চোখে পড়বেন আপনি।
ওজ়েম্পিক-মাউনজেরোকে টেক্কা দেবে নতুন ওজন কমানোর ওষুধ: জানুন অরফোরগ্লিপ্রনের বিশেষত্ব