দীপিকার সামান্য ব্যথাতেও ভয় পেতেন শোয়েব!
টেলিভিশন অভিনেত্রী Dipika Kakar-এর অসুস্থতা ঘিরে গত কয়েক মাস ছিল উদ্বেগে ভরা। দ্বিতীয় বার টিউমার ধরা পড়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। যদিও অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে এগোচ্ছেন অভিনেত্রী। কিন্তু এই সময়টা তাঁর স্বামী Shoaib Ibrahim-এর জন্যও কম কঠিন ছিল না। সম্প্রতি নিজের মনের সেই দুশ্চিন্তার কথাই খুলে বললেন তিনি।
ফেব্রুয়ারি মাসে দীপিকার শরীরে দ্বিতীয় টিউমার ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু হয় এবং অস্ত্রোপচারও করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি, আরও নিশ্চিত হতে দ্বিতীয় মতামতও নিয়েছিলেন শোয়েব। স্ত্রীর চিকিৎসা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি।
নিজেদের ভ্লগে শোয়েব জানান, গত কয়েক দিন তিনি ইচ্ছে করেই কম ভিডিও করছেন। কারণ, তাঁর জীবন তখন হাসপাতাল-কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছিল। “প্রায় ১০-১২ দিন ধরে একই রুটিন—হাসপাতালে যাওয়া, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলা। নতুন কিছু দেখানোর মতো ছিল না। তাই দর্শকদের একঘেয়েমি দিতে চাইনি,” বলেন তিনি।
তবে শুধু এই কারণেই নয়, দীপিকার শারীরিক অবস্থার জন্য মানসিকভাবেও চাপে ছিলেন শোয়েব। তিনি স্বীকার করেন, দ্বিতীয় বার টিউমার ধরা পড়ার পর থেকেই তাঁর মধ্যে এক অদ্ভুত ভয় কাজ করতে শুরু করে। “নিজের জন্য নয়, দীপিকাকে নিয়ে সব সময় চিন্তায় থাকতাম। মাথার মধ্যে একটা চাপ যেন সব সময় ঘুরত,”—বলেছেন তিনি।
এই ভয় এতটাই তীব্র ছিল যে, সামান্য কোনও সমস্যাতেও আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন তিনি। শোয়েব জানান, অনেক সময় এমন হয়েছে যে রাতে দীপিকার সামান্য পায়ে ব্যথা হলেও তিনি ভিতরে ভিতরে ভয় পেয়ে যেতেন। যদিও সেই দুশ্চিন্তার ছাপ স্ত্রীকে বুঝতে দেননি কখনও। বরং সব সময় স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করেছেন, যাতে দীপিকা মানসিকভাবে ভেঙে না পড়েন।
এই কঠিন সময়েও তাঁদের সম্পর্কের দৃঢ়তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। একে অপরের পাশে থাকা, সাহস জোগানো—সব মিলিয়ে এই লড়াইটা দু’জন একসঙ্গেই লড়েছেন। বর্তমানে দীপিকা অনেকটাই সুস্থ এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন।
সম্প্রতি ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্তও ভাগ করে নিয়েছেন Dipika Kakar। সেই ছবি ও ভিডিও দেখে অনুরাগীরাও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।
সব মিলিয়ে, এই অভিজ্ঞতা তাঁদের জীবনে কঠিন হলেও, সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে। আর শোয়েবের কথায় স্পষ্ট—ভালবাসা থাকলে ভয় থাকেই, কিন্তু সেই ভয়ই শক্তি হয়ে দাঁড়ায় প্রিয়জনের পাশে থাকার জন্য।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?