পুজোর নিরামিষ পাতে আনুন নতুন স্বাদ, ভাতের সঙ্গে জমবে মোচার পাতুরি থেকে লাউয়ের তিলমোহিনী

ভাতের সঙ্গে জমবে মোচার পাতুরি থেকে লাউয়ের তিলমোহিনী! দুর্গাপুজোর দিনে কোনও বাড়িতে নিরামিষ খাওয়ার রীতি, কোথাও আবার আমিষ পদেই সাজে ভোজের থালা। তবে উৎসবের মরসুমে নিরামিষ রান্নাতেও চাই একটু বৈচিত্র।…

October 16, 2026
1 min read

ভাতের সঙ্গে জমবে মোচার পাতুরি থেকে লাউয়ের তিলমোহিনী!

দুর্গাপুজোর দিনে কোনও বাড়িতে নিরামিষ খাওয়ার রীতি, কোথাও আবার আমিষ পদেই সাজে ভোজের থালা। তবে উৎসবের মরসুমে নিরামিষ রান্নাতেও চাই একটু বৈচিত্র। রোজকার ডাল, তরকারি কিংবা পোস্তর বদলে পরিচিত সব্জি দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন নতুন স্বাদের কয়েকটি পদ। গরম ভাতের সঙ্গে মোচার পাতুরি, লাউয়ের তিলমোহিনী আর পটল মুগেশ্বরী—এই তিন পদে জমে উঠতে পারে পুজোর দুপুরের খাওয়াদাওয়া।

১. মোচার পাতুরি

উপকরণ: মোচা, ছোলার ডাল, নারকেল কোরা, সর্ষেবাটা, সর্ষের তেল, কাঁচালঙ্কা, লঙ্কাগুঁড়ো, নুন, হলুদ ও সামান্য চিনি।

প্রণালী: প্রথমে মোচা মিহি করে কুচিয়ে নুন-হলুদ দিয়ে ভাপিয়ে নিন। তার পর জল ঝরিয়ে রাখুন। ভিজিয়ে রাখা ছোলার ডাল বেটে নিন। একটি পাত্রে মোচা, ডালবাটা, নারকেল কোরা, সর্ষেবাটা, কাঁচালঙ্কা, লঙ্কাগুঁড়ো, সর্ষের তেল, নুন ও সামান্য চিনি দিয়ে ভাল করে মেখে নিন।

এ বার কলাপাতার টুকরোয় অল্প অল্প মিশ্রণ রেখে পাতুরির মতো মুড়ে নিন। কড়াইয়ে সামান্য তেল দিয়ে ঢাকা অবস্থায় কম আঁচে উল্টেপাল্টে প্রায় ১৫ মিনিট রান্না করুন। কলাপাতার সুগন্ধ আর সর্ষের ঝাঁঝে তৈরি হবে সুস্বাদু মোচার পাতুরি।

২. লাউয়ের তিলমোহিনী

উপকরণ: লাউ, সাদা তিল, সর্ষের তেল, শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, জিরে, আদাবাটা, কাঁচালঙ্কা, নুন, হলুদ, সামান্য চিনি ও বড়ি।

প্রণালী: প্রথমে কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা ও জিরে ফোড়ন দিন। তার পর আদাবাটা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ঝিরিঝিরি করে কাটা লাউ যোগ করুন। নুন-হলুদ ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। লাউ থেকে বেরোনো জলেই সব্জি সেদ্ধ হতে দিন।

অন্য দিকে, সাদা তিল শুকনো কড়াইয়ে হালকা ভেজে কাঁচালঙ্কা ও সামান্য জল দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। লাউ সেদ্ধ হয়ে এলে তিলবাটা ও সামান্য চিনি মিশিয়ে আরও ৫-৭ মিনিট রান্না করুন। শেষে ভেজে রাখা বড়ি দিয়ে আরও দু’মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে নিন। মিষ্টি ও তিলের স্বাদের এই পদ গরম ভাতের সঙ্গে দারুণ মানাবে।

৩. পটল মুগেশ্বরী

উপকরণ: পটল, মুগডাল, দুধ, আদাবাটা, ধনে-জিরে-লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদ, তেজপাতা, গোটা গরমমশলা, হিং, শুকনো লঙ্কা, নুন, ঘি ও গরমমশলা গুঁড়ো।

প্রণালী: প্রথমে পটলের খোসা আংশিক ছাড়িয়ে দুই প্রান্ত কেটে নিন। পটলের গায়ে লম্বালম্বি হালকা চিরে নুন-হলুদ মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। মুগডাল হালকা ভেজে ধুয়ে নিন।

এ বার কড়াইয়ে তেল গরম করে তেজপাতা, গোটা গরমমশলা, হিং ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। আদাবাটা কষিয়ে ধনে, জিরে, লঙ্কা ও হলুদগুঁড়োর মিশ্রণ যোগ করুন। মশলার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে মুগডাল ও নুন দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প জল দিন। ডাল অর্ধেক সেদ্ধ হলে এক বাটি দুধ দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন। ডাল সেদ্ধ হয়ে এলে ভাজা পটল দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। শেষে সামান্য ঘি ও গরমমশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

পুজোর নিরামিষ দিনে এই তিনটি পদই হতে পারে ভাতের পাতে নতুন সংযোজন। পরিচিত উপকরণ, অথচ রান্নার ধরনে সামান্য বদল—এই ভাবেই উৎসবের খাবারে আসবে অন্য রকম স্বাদ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *