জনগণনার কাজে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকও! পুরনো নিয়ম সংশোধন করে বিজ্ঞপ্তি কেন্দ্রের

জনগণনার কাজে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকও!! জনগণনার কাজে এ বার সরকারি স্কুলের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদেরও নিয়োগ করতে পারবে রাজ্য সরকার। সেই মর্মে ১৯৯০ সালের জনগণনা বিধিতে সংশোধন এনে…

October 16, 2026
1 min read

জনগণনার কাজে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকও!!

জনগণনার কাজে এ বার সরকারি স্কুলের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদেরও নিয়োগ করতে পারবে রাজ্য সরকার। সেই মর্মে ১৯৯০ সালের জনগণনা বিধিতে সংশোধন এনে নতুন গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার প্রকাশিত এই নির্দেশিকার ফলে জনগণনার কাজে নিয়োগের পরিধি আরও বাড়ল।

এত দিন সাধারণত সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনার তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতেন। তবে সংশোধিত বিধি অনুযায়ী, এ বার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও সেই কাজে নিয়োগ করা যাবে। রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে উপযুক্ত ব্যক্তিদের গণনাকারী হিসেবে বেছে নিতে পারবে।

ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণ এই সংশোধিত গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের বিধিতে গণনার কাজে শিক্ষক, ক্লার্ক বা বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। নতুন সংশোধনের মাধ্যমে সেই তালিকা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

সংশোধিত নিয়মে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং সাহায্যবিহীন বেসরকারি সংস্থা, ব্যাঙ্ক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সমিতি ও ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদেরও জনগণনার কাজে নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কাদের নিয়োগ করা হবে, তা সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনই বিবেচনা করে ঠিক করবে।

এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এল, যখন বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের জনগণনার কাজে নিয়োগ নিয়ে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ‘হরিয়ানা প্রগ্রেসিভ স্কুলস কনফারেন্স’ পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করে। বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের জনগণনার দায়িত্বে নিয়োগের জন্য হরিয়ানা সরকারের জারি করা দু’টি বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল।

গত ৮ অক্টোবর বিচারপতি হরপ্রীত সিংহ ব্রার ওই বিজ্ঞপ্তিগুলির উপর স্থগিতাদেশ দেন। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, জনগণনার কাজে নিয়োগের জন্য উপলব্ধ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তথ্য চেয়েছিল হরিয়ানা সরকার। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইন বা তার অধীনে তৈরি বিধিতে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের গণনাকারী হিসেবে নিয়োগের স্পষ্ট আইনি অনুমতি নেই।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের নতুন বিজ্ঞপ্তি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সংশোধিত বিধি অনুযায়ী, জনগণনার কাজে কাদের নিয়োগ করা যাবে, সেই পরিধি আরও স্পষ্ট ও বিস্তৃত করা হল। তবে হরিয়ানা হাই কোর্টের মামলায় কেন্দ্রের এই সংশোধনের কী প্রভাব পড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *