বুমরাহ একা পারবে না, ক্যাচ ফস্কে গেল ম্যাচ! দ্বিতীয় দিনেই ধাক্কায় ভারত, লোয়ার অর্ডার ও বোলিং চিন্তার কারণ

বুমরাহ একা পারবে না, ক্যাচ ফস্কে গেল ম্যাচ! হেডিংলেতে যেখানে প্রথম দিনে ভারতের রঙিন আধিপত্য, দ্বিতীয় দিনে যেন অন্ধকারে হারিয়ে গেল সেই আলো। ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ফেলেছে…

June 22, 2025
1 min read

বুমরাহ একা পারবে না, ক্যাচ ফস্কে গেল ম্যাচ!

হেডিংলেতে যেখানে প্রথম দিনে ভারতের রঙিন আধিপত্য, দ্বিতীয় দিনে যেন অন্ধকারে হারিয়ে গেল সেই আলো। ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ফেলেছে দ্বিতীয় দিনের শেষে, ওলি পোপ অপরাজিত ১০০ রানে। ভারতের লিড এখন ২৬২, তবে আসল চাপে এখন শুভমন গিল—অধিনায়ক হিসেবেই নয়, কৌশলী কৌশলদার হিসেবেও।

প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ৪৩০ রান তুলে ভারতের দারুণ ভিত তৈরি হলেও ৪৭১ রানে অলআউট হওয়ার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি দল। শেষ ৪১ রানে ৭ উইকেট—একটা স্পষ্ট ইঙ্গিত যে ভারতের লোয়ার অর্ডার এখনও বিদেশের মাটিতে দাঁড়াতে পারেনি। পন্থের পরবর্তী উইকেট পতন যেন ডোমিনো এফেক্টে পরিণত হয়। জাডেজা-শার্দূল-সিরাজরা রান যোগ না করতে পারায়, যেটা ৫৫০ হতে পারত, সেটাই গিয়ে থামে ৪৭১-এ।

ব্যাটিং ধসের পরে চোখ ছিল বোলিংয়ে। প্রথম স্পেলে বুমরাহ অনবদ্য। বল সুইং, কট, পেস—সব কিছু মিশিয়ে ইংরেজ ওপেনারদের ঘাম ঝরালেন। শুরুতেই ফেরালেন ক্রলিকে। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেন। কিন্তু সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারল না ভারতীয় ফিল্ডাররা।

যশস্বী জয়সওয়াল দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ ফসকালেন, একটি ডাকেটের, একটি পোপের। আর পয়েন্টে জাডেজা যে ক্যাচ ফেললেন, তা তাঁর মানের ফিল্ডারের কাছে দুঃস্বপ্ন। পোপ সেই জীবনদান কাজে লাগিয়ে শতরান করে ফেলেন।

কিন্তু কেবল ফিল্ডিং নয়, আরও বড় প্রশ্ন বোলিং নির্বাচন ও ব্যবহার। সিরাজ ও প্রসিদ্ধ প্রথম স্পেলে বল হাতেই রাখতে পারলেন না। সিরাজের তিন ওভারে ২৪ রান, প্রসিদ্ধের চার ওভারে ২৮—তাতে শুরুতেই চাপ হারাল ভারত। জাডেজার বলে স্পিনের দেখা মিলল না। ইংরেজ ব্যাটাররা নির্বিঘ্নে খেলে গেলেন। সবচেয়ে বড় ধাঁধা, কেন শার্দূলকে এত দেরিতে বল দেওয়া হল? ৪০তম ওভারে প্রথম বল করতে আসেন তিনি, যখন বল পুরনো। তত ক্ষণে ইংরেজদের আত্মবিশ্বাস ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

গম্ভীরের নির্দেশ মানতে গিয়ে পন্থ নিজের ছন্দ হারান, সেটাও ভারতীয় ইনিংসে ধসের অন্যতম কারণ। পন্থের মতো ব্যাটারকে যদি রোখা হয়, ফল হয় বিপর্যয়।

সারাংশ? একা বুমরাহ ম্যাচ জেতাতে পারবেন না। ইংল্যান্ডে বোলিং করতে হলে কৌশল, একাগ্রতা আর ধারাবাহিকতা—সব কিছু একসঙ্গে লাগে। দ্বিতীয় দিনের পর শুভমন গিলের সামনে অনেক প্রশ্ন, কিন্তু উত্তর তার চেয়েও বেশি জটিল।

🚨 “ধৈর্যের সীমা ছাড়াচ্ছে!”: কর্মীদের হুঁশিয়ারি Nothing-র CEO কার্ল পে-র

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *