ডিগবাজি খেয়ে থ্রো-ইন
ফুটবলে থ্রো-ইন থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হওয়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু থ্রো-ইন করতেই যদি ফুটবলারকে ডিগবাজি খেতে হয়, আর সেই থ্রো থেকেই গোল হয়ে যায়, তা হলে নজর কাড়বেই। এমনই এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটিয়ে ভাইরাল হয়েছেন ইরানের ফুটবলার নাদের মহম্মদি।
রাশিয়ার দ্বিতীয় ডিভিশনের একটি ম্যাচে দেখা গিয়েছে এই দৃশ্য। স্পার্টাক কস্ত্রোমার হয়ে খেলছিলেন মহম্মদি। বিপক্ষে ছিল এসকেএ খাবারোভস্ক। প্রতিপক্ষের বক্সের কাছে থ্রো-ইন পায় স্পার্টাক। বলটি হাতে নিয়ে মহম্মদি পিছনে গিয়ে ডিগবাজি খান এবং সামারসল্ট করতে করতেই বল ছুড়ে দেন বক্সের দিকে।
এই বিশেষ ধরনের থ্রো-ইনকে ফুটবলের পরিভাষায় বলা হয় ‘ফ্লিপ থ্রো’। মহম্মদির ছোড়া বল সোজা গিয়ে পড়ে বিপক্ষের বক্সে। সেখানে তাঁর সতীর্থ হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন। ফলে থ্রো-ইন থেকেই তৈরি হয়ে যায় গোলের সুযোগ এবং শেষ পর্যন্ত সেটিই গোলে পরিণত হয়।
মহম্মদির এই কৌশল অবশ্য নতুন নয়। ২০২১ সালেও তাঁকে নিজের অর্ধ থেকে এমন একটি ফ্লিপ থ্রো করতে দেখা গিয়েছিল। যদিও সেই বার তাঁর থ্রো থেকে গোল হয়নি। এ বার অবশ্য তাঁর অদ্ভুত কৌশল সরাসরি গোলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়েছে।
ফুটবলে ‘ফ্লিপ থ্রো’-এর ইতিহাস
ফ্লিপ থ্রো ফুটবলে নতুন কোনও কৌশল নয়। এস্তোনিয়ার রিস্তো কালাস্তে এবং নিউক্যাসলের স্টিভ ওয়াটসন ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে এই ধরনের থ্রো-ইনের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক ফুটবলার এই কৌশল ব্যবহার করেছেন।
তবে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এমন নিখুঁত ফ্লিপ থ্রো করে সরাসরি গোলের সুযোগ তৈরি করা নিঃসন্দেহে নজরকাড়া ঘটনা।
কে এই নাদের মহম্মদি?
২৯ বছর বয়সি মহম্মদি রাশিয়ার স্পার্টাক কস্ত্রোমা ক্লাবে ডিফেন্ডার হিসাবে খেলেন। তাঁর মূল পজ়িশন সেন্টার-ব্যাক হলেও ডান প্রান্তেও খেলতে পারেন। পেশাদার ফুটবলে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল ইরানের পাইকান ক্লাব থেকে।
এর পর ইরানের একাধিক ক্লাবে খেলেছেন তিনি। পার্সিয়ান গাল্ফ প্রো লিগেও ১০০-র বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তবে এ বার তাঁর অসাধারণ ফ্লিপ থ্রো-ই তাঁকে ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।