২১ জুলাইয়ের মঞ্চে নেই শ্রীময়ী, কেন একা কাঞ্চন?
প্রতি বছর ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবসের সভা ঘিরে রাজনৈতিক আবহে থাকে আলাদা উত্তাপ। রাজনীতিকদের সঙ্গে টলিউডের পরিচিত মুখরাও উপস্থিত থাকেন এই কর্মসূচিতে। গত কয়েক বছর ধরে অভিনেতা তথা বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী, অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজকেও একসঙ্গে দেখা যেত সভার মঞ্চে। কিন্তু এবছর সেই চেনা দৃশ্য বদলে যাচ্ছে।
২০২৪ সালের ২১ জুলাইয়ের সভায় কাঞ্চন মল্লিক থাকলেও, সঙ্গে থাকছেন না শ্রীময়ী। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই গুঞ্জন ছড়ায়—‘তবে কি সম্পর্কের রসায়নে আবার কোনও জট?’
তবে শ্রীময়ী জানিয়ে দিয়েছেন, এই অনুপস্থিতির পিছনে কোনও ব্যক্তিগত মনোমালিন্য নয়। বরং এর পিছনে রয়েছে একান্ত পারিবারিক কারণ।
কেন অনুপস্থিত শ্রীময়ী?
শ্রীময়ী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর বাবার শরীর ভালো নেই। বাবার পাশে থাকা এই মুহূর্তে তাঁর প্রথম দায়িত্ব। তাই রাজনীতির মঞ্চে না গিয়ে, একমাত্র কন্যা হিসেবে বাবার সেবাতেই সময় দিতে চান তিনি।
তাঁর কথায়, “২১ জুলাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বাবা অসুস্থ। পরিবারের পাশে থাকা আমার কর্তব্য। তাই আমি এবছর মঞ্চে থাকছি না। কাঞ্চনদা যাবেন, ওঁর প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন আছে।”
গুঞ্জনের জবাব
গত কয়েক মাস ধরে শ্রীময়ী ও কাঞ্চনের দাম্পত্য নিয়ে কিছু গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। যদিও তাঁরা নিজেরা কখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবু একসঙ্গে কম দেখা যাওয়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় কম উপস্থিতি—এসবই জল্পনা বাড়িয়েছিল।
এই পরিস্থিতিতে শ্রীময়ীর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে না থাকা নতুন করে প্রশ্ন তুলতেই পারত। কিন্তু তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য সেই গুঞ্জনে জল ঢেলে দিয়েছে।
কাঞ্চনের বক্তব্য কী?
অভিনেতা ও বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক জানান, “শ্রীময়ী পাশে থাকলে ভালো লাগত। তবে ওর বাবা অসুস্থ, তাই ও ওখানে থাকছে—এটাই স্বাভাবিক। আমি একাই যাব, এটা আমাদের পারস্পরিক বোঝাপড়ার অংশ।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনীতির মঞ্চে আমরা আলাদা ব্যক্তি, দাম্পত্য জীবনের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।”
সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া
টলিউডের বহু অনুরাগী এই দম্পতির সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই আগ্রহী। তাঁদের একসঙ্গে দেখা মানেই যেন জুটির সম্পর্কের মাধুর্য। তাই এবারে একসঙ্গে না দেখে কিছুটা খারাপ লাগলেও, শ্রীময়ীর যুক্তিগ্রাহ্য বক্তব্যে অনেকেই সহানুভূতিশীল।
শিক্ষার মন্দিরে নিরাপত্তাহীনতা! দক্ষিণ কলকাতা ল কলেজে পুলিশ পিকেট চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ অধ্যাপকরা