সমালোচনার আড়ালে ঈর্ষা—নিজের অভিজ্ঞতায় খোলামেলা স্বস্তিকা দত্ত

নিজের অভিজ্ঞতায় খোলামেলা স্বস্তিকা দত্ত! টেলিভিশনের পর্দায় এখন এক কঠোর অথচ ব্যক্তিত্বময় অধ্যাপিকার চরিত্রে নজর কাড়ছেন স্বস্তিকা দত্ত। ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় যেমন দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, তেমনই এসেছে…

March 28, 2026
1 min read

নিজের অভিজ্ঞতায় খোলামেলা স্বস্তিকা দত্ত!

টেলিভিশনের পর্দায় এখন এক কঠোর অথচ ব্যক্তিত্বময় অধ্যাপিকার চরিত্রে নজর কাড়ছেন স্বস্তিকা দত্ত। ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ চরিত্রে তাঁর অভিনয় যেমন দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, তেমনই এসেছে নানা সমালোচনাও। তবে এই সমালোচনাকে কীভাবে দেখেন অভিনেত্রী? সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি খোলাখুলি জানালেন নিজের অনুভূতি।

স্বস্তিকার মতে, শিল্পীদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের পিছনে অনেক সময়েই কাজ করে এক ধরনের ঈর্ষা। তাঁর কথায়, “আমরা এখন ভালো জিনিসকে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারি না। অনেকেই না দেখেই মন্তব্য করেন।” ছোট ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার ফলে এই বিষয়টি আরও প্রকট বলে মনে করেন তিনি।

ধারাবাহিকের বিভিন্ন দৃশ্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবুও এই সব কিছুর প্রভাব যে কাজের উপর পড়েনি, তা স্পষ্ট। শুরু থেকেই টিআরপি তালিকায় শীর্ষস্থানে জায়গা ধরে রেখেছে ‘বিদ্যা ব্যানার্জি’-র গল্প।

স্বস্তিকা আরও বলেন, দর্শকেরা অনেক সময় শিল্পীদের “ভুলহীন” ভাবতে অভ্যস্ত। যেন তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং একেবারে নিখুঁত সত্তা। কিন্তু বাস্তবটা আলাদা। “আমরাও তো মানুষ, আমাদেরও ভুল হয়,”—স্বীকার করেন তিনি। আর সেই ভুলের জন্য অনেক সময়েই কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়, যা মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

এই চরিত্রে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য পরিচালক স্নেহাশিস চক্রবর্তী-র অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন স্বস্তিকা। তাঁর কথায়, “আমি যেন বিদ্যার মধ্যেই বেঁচে আছি। এই চরিত্রটা আমার নিজের একটা জগৎ তৈরি করেছে।” প্রযোজনা সংস্থা Blues Production-কেও কৃতিত্ব দিতে ভোলেননি তিনি। তাঁর মতে, এই সংস্থা কখনও শুধুমাত্র টিআরপি-র পিছনে ছোটে না—বরং ভালো কাজের মাধ্যমেই দর্শকের মন জয় করে।

এদিকে ধারাবাহিকের গল্পও ক্রমশ জটিল হচ্ছে। একদিকে নায়কের সঙ্গে সম্পর্কের মিষ্টি রসায়ন, অন্যদিকে পারিবারিক টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে বিদ্যার জীবন এখন নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। এই দ্বন্দ্বই গল্পকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে।

সব মিলিয়ে, স্বস্তিকা দত্তর বক্তব্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে—সমালোচনা থাকবেই, কিন্তু তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানসিকতাকেও বোঝা জরুরি। শিল্পীদেরও মানুষ হিসেবেই দেখা উচিত, যাঁদের সাফল্য যেমন আছে, তেমনই আছে সীমাবদ্ধতাও।

মুক্তির আগেই বিপত্তি: ‘ধুরন্ধর ২’ প্রদর্শনে প্রযুক্তিগত জটিলতা, দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন Aditya Dhar

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *