নিক ও মালতীকে ঘিরে প্রিয়ঙ্কার জীবনের নতুন অধ্যায়!
বলিউড থেকে হলিউড—দুই জগতেই সমান সফল অভিনেত্রী Priyanka Chopra। আর তাঁর স্বামী আন্তর্জাতিক পপ তারকা Nick Jonas। বিয়ের পর থেকেই এই জুটি বিনোদন দুনিয়ায় ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে পরিচিত। বয়সের ব্যবধান নিয়ে নানা সময় আলোচনা ও সমালোচনা হলেও, সেই সব বিতর্ককে খুব একটা গুরুত্ব দেন না তাঁরা। বরং একে অপরকে সমর্থন করেই এগিয়ে চলেছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়ঙ্কা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নানা কথা খোলাখুলি ভাগ করে নিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, নিকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা যেন অনেক পুরনো—এমনকি জন্মজন্মান্তরেরও হতে পারে।
আশীর্বাদের দিনেই অন্যরকম অনুভূতি
প্রিয়ঙ্কার কথায়, বিয়ের সময় থেকেই তাঁর মনে হয়েছিল নিকের সঙ্গে পরিচয় যেন বহু দিনের। “মনে হয়েছিল যেন আমরা আগে থেকেই একে অপরকে চিনি। হয়তো এটা আমাদের তৃতীয় বা চতুর্থ জন্ম,”—এমনই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
তিনি আরও বলেন, নিকের সঙ্গে পরিচয়ের আগে নিজের জীবনটা যেন এখন আর মনে করতে পারেন না। তাঁর মতে, নিক শুধু স্বামী নন, একজন অসাধারণ মানুষও। পরিবার থেকে পাওয়া শিক্ষা, পরিণত ভাবনা এবং গভীর বোঝাপড়া—এই সব গুণই তাঁকে আলাদা করে তোলে।
অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে নতুন উপলব্ধি
বলিউডে কাজ করার সময় প্রিয়ঙ্কার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। কখনও Shah Rukh Khan, কখনও Shahid Kapoor, আবার কখনও Akshay Kumar—বিভিন্ন অভিনেতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল।
এক সময় প্রিয়ঙ্কা নিজেই জানিয়েছিলেন, অতীতের কিছু সম্পর্কে তিনি নিজেকে অবহেলিত মনে করেছেন। তাঁর কথায়, অনেক ক্ষেত্রেই তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কিন্তু নিকের ক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। প্রিয়ঙ্কার মতে, নিক অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও সংবেদনশীল মানুষ—এমনকি তিনি নিজেও নিকের মতো জ্ঞানী হতে চান।
পরিবারই এখন প্রথম অগ্রাধিকার
বর্তমানে প্রিয়ঙ্কার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু তাঁর পরিবার—নিক এবং তাঁদের মেয়ে Malti Marie Chopra Jonas। ছোট্ট মালতী ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠছে, আর সেই কারণেই কাজের ফাঁকে বাড়ি ফেরার তাড়া এখন আরও বেশি অনুভব করেন অভিনেত্রী।
তিনি জানান, শুটিং শেষ হলেই তাঁর মনে হয় যত দ্রুত সম্ভব বাড়ি ফিরে যেতে। কারণ সেখানে অপেক্ষা করে থাকে তাঁর পরিবার। মেয়ের বড় হয়ে ওঠার প্রতিটি মুহূর্ত তিনি কাছ থেকে দেখতে চান।
সুখের ছোট ছোট মুহূর্ত
প্রিয়ঙ্কার কথায়, জীবনের সবচেয়ে বড় সুখ এখন এই ছোট ছোট পারিবারিক মুহূর্তগুলো। নিকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ভিত্তি হল বন্ধুত্ব, সম্মান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া। আর সেই কারণেই তাঁদের সম্পর্ক এতটা দৃঢ়।
সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে প্রিয়ঙ্কার জীবনের নতুন পৃথিবী—যেখানে নিক এবং মালতীই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?