মুঠো আঙুলের থেকেও ছোট মুখ: মৃত্যুভয় পেরিয়ে মালতীকে ঘরে ফেরানোর আবেগঘন গল্প

মৃত্যুভয় পেরিয়ে মালতীকে ঘরে ফেরানোর আবেগঘন গল্প! মেয়ের জন্মের পর বাঁচবে কি না— সেই ভয়ই তাড়া করেছিল তাঁকে। সাধারণত দৃঢ় মানসিকতার মানুষ হলেও সেই সময়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা…

February 26, 2026
1 min read

মৃত্যুভয় পেরিয়ে মালতীকে ঘরে ফেরানোর আবেগঘন গল্প!

মেয়ের জন্মের পর বাঁচবে কি না— সেই ভয়ই তাড়া করেছিল তাঁকে। সাধারণত দৃঢ় মানসিকতার মানুষ হলেও সেই সময়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। কারণ, তাঁর কন্যা মালতী মেরি জন্মেছিল সময়ের অনেক আগেই— মাত্র ২৭ সপ্তাহে।

👶 অসময়ে জন্ম, অনিশ্চয়তায় দিন

২০২২ সালের ১৫ জানুয়ারি সারোগেসির মাধ্যমে মা হন প্রিয়ঙ্কা। চিকিৎসকেরা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন— শিশুটি প্রিম্যাচিওর হবে এবং ঝুঁকি থাকবে। জন্মের সময় মালতীর ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম।

জন্মের পরপরই তাকে রাখা হয় এনআইসিইউ-তে। তিন মাস ধরে প্রায় প্রতিদিন হাসপাতালেই ছুটে যেতেন প্রিয়ঙ্কা ও তাঁর স্বামী নিক জোনাস।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে প্রিয়ঙ্কা জানিয়েছেন, সেই সময়টা তাঁদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায় ছিল। তিনি বলেন, “আমরা জানতামই না মালতী বাঁচবে কি না। প্রতিদিন শুধু অপেক্ষা করতাম— আজ কি একটু ভালো খবর পাব?”

😢 যে দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন

মেয়েকে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা আজও ভুলতে পারেন না অভিনেত্রী। জন্মের সময় মালতীর শরীর বেগনি হয়ে গিয়েছিল। নার্সদের আঙুলের চেয়েও ছোট ছিল তার মুখ।

প্রিয়ঙ্কার কথায়, “আমি জীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু মেয়েকে ওই অবস্থায় দেখে ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়েছিলাম।”

🕉️ মন্দিরে বসে কান্না

মালতী যখন অবশেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরতে পারে, তখনই প্রথম আবেগে ভেঙে পড়েন তিনি।

প্রিয়ঙ্কা জানান, তাঁদের বাড়িতে একটি বড় শিবমূর্তি রয়েছে। পুরো পরিবার সেখানে বসে প্রার্থনা করেছিলেন।

“সেই প্রথম আমি কেঁদেছিলাম— ভয় থেকে নয়, কৃতজ্ঞতা থেকে। কারণ আমাদের মেয়ে বাড়ি ফিরেছিল,” বলেন তিনি।

📢 কেন তাড়াহুড়ো করে খবর প্রকাশ

মালতীর জন্মের খবর প্রথমে গোপন রেখেছিলেন দম্পতি। কিন্তু পরে বাধ্য হয়েই তা প্রকাশ করতে হয়।

কারণ, সংবাদমাধ্যমে খবর ফাঁস হওয়ার আগেই নিজেরাই বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলেন তাঁরা। প্রিয়ঙ্কার কথায়, “আমরা আমাদের গল্প নিজেরাই বলতে চেয়েছিলাম।”

❤️ আজ কেমন আছে মালতী?

সব ভয়, উদ্বেগ আর অশ্রুর দিন পেরিয়ে এখন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন কাটাচ্ছে ছোট্ট মালতী।

এই অভিজ্ঞতা প্রিয়ঙ্কার কাছে শুধু মাতৃত্বের গল্প নয়— বরং জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াই জয়ের স্মৃতি।

তিনি নিজেই বলেন, “মালতী আমাদের শিখিয়েছে— আশা কখনও ছাড়তে নেই।”

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *