‘মুখোশ মানুষ’-এর প্রেমে দিশা পটানী!
কয়েক দিন ধরেই বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন— দিশা পটানীর জীবনে নাকি নতুন প্রেমের আগমন। আর সেই প্রেমিক আর কেউ নন, পঞ্জাবি সঙ্গীতদুনিয়ার রহস্যময় ‘মুখোশ মানুষ’ তলবিন্দর সিংহ সিধু। কৃতি সেননের বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান থেকেই প্রথম এই জল্পনা শুরু। তার পর রবিবার মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠানে তলবিন্দরের হাত ধরে প্রকাশ্যে বেরোতেই অনুরাগীদের চোখে যেন জলজ্যান্ত প্রমাণ— দিশা কি তবে নতুন সম্পর্কে সিলমোহর দিলেন?
টাইগার শ্রফের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর দিশাকে একাধিক বার একা দেখা গিয়েছে। কাজ, শরীরচর্চা আর নাচেই নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন তিনি। তবে কাছের মহলের দাবি, সেই শূন্যতাই নাকি ভরিয়ে দিয়েছেন তলবিন্দর। ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, আর সেখান থেকেই নাকি তৈরি হয়েছে গভীর সম্পর্ক।
তলবিন্দর সিংহ পঞ্জাবি লোকসঙ্গীতকে আধুনিক রূপ দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। তবে জনপ্রিয়তা পেলেও ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালেই রাখতে পছন্দ করেন তিনি। সে কারণেই প্রকাশ্যে মুখ ঢেকে রাখেন, যা তাঁকে দিয়েছে ‘মুখোশ মানুষ’-এর তকমা। কর্ণ ঔজলা, হানি সিংহের মতো তারকাদের সঙ্গে কাজ করে ইতিমধ্যেই নিজের জায়গা পাকা করেছেন তলবিন্দর। ‘খয়াল’, ‘নশা’-র মতো গান আজ তরুণ প্রজন্মের প্লেলিস্টে নিয়মিত শোনা যায়।
অন্য দিকে দিশা পটানী মানেই ফিটনেস, গ্ল্যামার আর নাচের দুরন্ত ছন্দ। বলিউডে নিজস্ব স্টাইল তৈরি করে ফেলেছেন তিনি। উত্তরপ্রদেশে জন্ম দিশার, ১৯৯২ সালের জুন মাসে। আর তলবিন্দরের জন্ম ১৯৯৭ সালের নভেম্বর মাসে। অর্থাৎ দু’জনের বয়সের ব্যবধান প্রায় পাঁচ বছর। দিশার থেকে বয়সে ছোট তলবিন্দর।
তবে এই বয়সের ফারাক নিয়ে খুব একটা মাথাব্যথা নেই অনুরাগীদের। বলিউডে এমন উদাহরণ নতুন নয়, যেখানে প্রেমিক বা প্রেমিকা বয়সে ছোট বা বড়— সম্পর্কের রসায়নে তাতে বিশেষ প্রভাব পড়েনি। বরং পারস্পরিক বোঝাপড়া আর সম্মানটাই সেখানে মুখ্য হয়ে উঠেছে।
দিশা বা তলবিন্দর— কেউই এখনও প্রকাশ্যে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেননি। তবে একসঙ্গে অনুষ্ঠানে হাজির হওয়া, হাত ধরে বেরোনো— এই মুহূর্তে সব ইঙ্গিতই বলছে, বন্ধুত্বের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁদের সম্পর্ক অন্য দিকে এগোচ্ছে। প্রেমের গল্পে মুখোশ থাকুক বা না থাকুক, দিশার জীবনে যে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, তা বলিপাড়ার কানাঘুষোতেই স্পষ্ট।
‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা