চিত্রাঙ্গদা শতরূপা মা, ঋতাভরী হলেন মাসি!
অভিনেত্রী-পরিচালক চিত্রাঙ্গদা সান্যাল মা হয়েছেন! আর নাতি এসেছে ঋতাভরী চক্রবর্তীর কোলে। খুশির এই খবর পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র আনন্দবাজার ডট কম-কে নিশ্চিত করেছেন। জানা গিয়েছে, মা ও সদ্যোজাত উভয়েই সুস্থ ও ভালো আছেন, যদিও দুই পরিবার এখনই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্য করতে চাইছে না।
শতরূপা সামাজিক মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ভাগ করে জানিয়েছেন, ২৮ মার্চ তিনি মা হয়েছেন। নেটাগরিকরা আনন্দিত হয়ে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছেন এবং নাতিকে “শতরূপার কোলে” আখ্যা দিয়ে খুশি প্রকাশ করেছেন। চিত্রাঙ্গদার এ নতুন যাত্রায় ভয়ও আছে, তবে আনন্দ, উত্তেজনা এবং মাতৃত্বের আনন্দ তাকে পূর্ণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।
চিত্রাঙ্গদা আগেই আনন্দবাজার ডট কম-কে জানিয়েছেন, মাতৃত্ব মানেই শুধু বাচ্চার যত্ন নয়, নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার যত্নও নেওয়া। তিনি বলেছিলেন, “সব মায়েরই স্বপ্ন থাকে, তারা যেন ‘সেরা মা’ হতে পারে। আমি চেষ্টা করছি ‘ভাল মা’ হতে। সন্তানকে সুস্থ, বোঝাপড়াপূর্ণ এবং সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই কাজের দিকে তাড়াহুড়ো করিনি। প্রথমেই নিজেকে সময় দিচ্ছি, পাশাপাশি শিশুকে। তারপর কাজের পরিকল্পনা করব।”
চিত্রাঙ্গদা শুধু অভিনয় নয়, বিজ্ঞাপনী ছবি বানাতেও ব্যস্ত থাকেন। মাতৃত্বের এই সময়ে কাজের সংখ্যা কমলেও তিনি ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখছেন। “কিছু না কিছু কাজ করবই,” বলেছেন চিত্রাঙ্গদা। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বোঝা যায়, তিনি কেবল একজন মা নয়, নিজের ক্যারিয়ারেও সচেতন এবং দৃঢ় মনোভাবী।
ঋতাভরী চক্রবর্তীর জন্যও এটি এক আনন্দঘন মুহূর্ত। নতুন নাতিকে কোলে নিয়ে তিনি এখন পুরোপুরি মাসি হিসেবে পরিচিত। পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, চিত্রাঙ্গদা সম্প্রতি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই তাঁর আসন্ন ছবি ‘ম্যায় অ্যাক্টর নহি হুঁ’-এর জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে সম্মানিত হয়েছেন। ছবিতে তিনি নওয়াজউদ্দীন সিদ্দীকীর সঙ্গে কাজ করেছেন। ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী মে মাসে। এই সময়ে মাতৃত্বের আনন্দ উপভোগ করলেও চিত্রাঙ্গদা কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রাখছেন।
এই নতুন জীবনের অধ্যায়ের সাথে সঙ্গে চিত্রাঙ্গদা মা হিসেবে এবং সৃজনশীলতার দিক থেকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। পরিবার ও নেটাগরিকদের শুভেচ্ছার মাঝে তিনি মাতৃত্বের এই যাত্রাকে পুরোপুরি উপলব্ধি করছেন।
মার্চের শেষে এই আনন্দঘন খবর বলিউডের কাছে এক প্রফুল্ল মুহূর্ত এনে দিয়েছে—চিত্রাঙ্গদা শতরূপা মা, ঋতাভরী মাসি, আর নতুন জীবন এসেছে ঘরে।
শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না