ভুবনেশ্বর ফিরেও লাভ হল না! ২২৫ রান দেওয়ার পর শিশিরকেই দায়ী করলেন শ্রেয়স, বোলারদের পাশে দাঁড়ালেন অধিনায়ক

২২৫ রান দেওয়ার পর শিশিরকেই দায়ী করলেন শ্রেয়স! নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে রেকর্ড রান তাড়া করে জিতেছে ভারত। কিন্তু সেই জয়েও স্বস্তি নেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের। কারণ, আরও এক বার ২০০…

October 22, 2026
1 min read

২২৫ রান দেওয়ার পর শিশিরকেই দায়ী করলেন শ্রেয়স!

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে রেকর্ড রান তাড়া করে জিতেছে ভারত। কিন্তু সেই জয়েও স্বস্তি নেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের। কারণ, আরও এক বার ২০০ রানের বেশি খরচ করেছেন ভারতীয় বোলারেরা। চার বছর পর দলে ফেরা অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমারও রান আটকাতে পারেননি। ম্যাচ শেষে বোলিংয়ের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে পিচের চরিত্র ও শিশিরের প্রভাবের কথা তুলে ধরলেন শ্রেয়স। পাশাপাশি, দলের ব্যাটারদের প্রশংসাও করলেন তিনি।

বোলারদের ব্যর্থতার কারণ কি শুধু শিশির?

ম্যাচ শেষে ভারতীয় বোলারদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শ্রেয়স জানান, শুরুতে পিচ কিছুটা মন্থর ছিল। বল পিচে পড়ে থমকে যাচ্ছিল। পাশাপাশি, বোলারেরা সঠিক লেংথে বল করতে পারেননি বলেও স্বীকার করেন তিনি।

শ্রেয়সের কথায়, পরে শিশির পড়তে শুরু করলে পিচে ব্যাট করা সহজ হয়ে যায়। বল ব্যাটে ভাল আসতে থাকে। সেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়েই নিউ জ়িল্যান্ড ২২৫ রান তোলে।

অধিনায়কের ব্যাখ্যায় পিচ ও শিশিরের প্রভাবের কথা উঠে এলেও প্রশ্ন থাকছে ভারতীয় বোলারদের পরিকল্পনা নিয়ে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শিশিরের কারণে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানো নতুন কিছু নয়। এমন পরিস্থিতিতে কী ভাবে লেংথ ও লাইন বজায় রাখতে হবে, তা বোলারদের প্রস্তুতিরই অংশ। তাই শুধু পরিবেশের দোহাই দিয়ে বোলিংয়ের দুর্বলতা পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায় না।

সঞ্জু-অভিষেকের প্রশংসায় শ্রেয়স

বোলিং নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও ব্যাটারদের পারফরম্যান্সে খুশি শ্রেয়স। ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই তাঁরা ভারতের জয়ের ভিত তৈরি করে দেন।

শ্রেয়স জানান, দুই ওপেনার যথেষ্ট অভিজ্ঞ। এই ধরনের পিচে কী ভাবে ব্যাট করতে হয়, তা তাঁরা জানেন। তাই তাঁদের আলাদা করে কিছু বলার প্রয়োজন পড়েনি। প্রথম ছয় ওভারে ৮০-৮৫ রান তুলতে পারলে বড় লক্ষ্য তাড়া করার কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যায় বলেও মনে করেন তিনি। তবে প্রতি ম্যাচে এমন শুরু পাওয়া সম্ভব নয়। তাই ওপেনারদের তৈরি করে দেওয়া ভিত কাজে লাগানোই ছিল বাকি ব্যাটারদের দায়িত্ব।

সঞ্জু ৩৩ বলে ৬৭ রান করেন। তাঁর সঙ্গে অভিষেকের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং নিউ জ়িল্যান্ডের বোলারদের শুরুতেই চাপে ফেলে দেয়। পরে শ্রেয়স নিজেও ২৮ বলে ৪২ রান করে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন।

নমন ধীরকে নিয়ে কী বললেন অধিনায়ক?

এই ম্যাচে ব্যাট হাতে নজর কেড়েছেন নমন ধীর। মাত্র ১৫ বলে অপরাজিত ৪২ রান করে ভারতকে জয় এনে দেন তিনি। শেষ ওভারে চার ও ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন নমন।

তবে বল হাতে তাঁকে ব্যবহার করেননি শ্রেয়স। এ নিয়ে অধিনায়ক জানান, প্রতিপক্ষের দলে বাঁহাতি ব্যাটার থাকলে নমন কার্যকর বিকল্প হতে পারেন। তাঁকে দিয়ে কয়েক ওভার বল করানো যায় এবং তিনি উইকেটও নিতে পারেন। কিন্তু এই ম্যাচে তাঁকে বল করানোর সুযোগ আসেনি।

নমনের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে শ্রেয়স বলেন, চাপের মধ্যে তাঁর শান্ত ও দায়িত্বশীল ইনিংস ছিল অসাধারণ।

জয় এল, কিন্তু বোলিং নিয়ে চিন্তা থেকেই গেল

ভারতীয় ব্যাটারদের দুরন্ত পারফরম্যান্সে ম্যাচ জিতলেও বোলিং বিভাগের সমস্যা রয়েই গেল। ভুবনেশ্বর কুমার চার ওভারে ৪৯ রান দেন। অর্শদীপ সিংহ, অক্ষর পটেল এবং অন্য বোলারেরাও রান আটকাতে পারেননি। ফলে বড় রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটারদের উপর চাপ তৈরি হয়েছিল।

শ্রেয়স পিচ ও শিশিরের কথা বললেও পরের ম্যাচে ভারতীয় বোলারদের আরও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে হবে। কারণ, সব ম্যাচে ব্যাটারেরা এমন রান তাড়া করে জেতাতে পারবেন না। রেকর্ড জয় আপাতত স্বস্তি দিলেও ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য বোলিংয়ের দুর্বলতা কাটানো জরুরি।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *