হারের হ্যাটট্রিকের পর হতাশ শ্রেয়স!
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও হার এড়াতে পারল না ভারত। অধিনায়ক হিসেবে টানা তৃতীয় পরাজয়ের মুখ দেখতে হল শ্রেয়স আয়ারকে। ম্যাচ শেষে হতাশ শ্রেয়স স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন, একটি ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। যদিও কোনও ক্রিকেটারের নাম সরাসরি উচ্চারণ করেননি, তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল স্পিনার রবি বিষ্ণোইয়ের দিকেই।
ম্যাঞ্চেস্টারে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য শেষ চার ওভারে প্রয়োজন ছিল ৪৯ রান। ম্যাচ তখনও ভারতের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু ১৭তম ওভারে বিষ্ণোই ২৯ রান খরচ করতেই পরিস্থিতি পুরো বদলে যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ড ম্যাচ নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।
ম্যাচ শেষে শ্রেয়স বলেন, “আমরা সবাই জানি কোথায় ম্যাচটা হাতছাড়া হয়েছে। কাউকে আলাদা করে দোষ দিতে চাই না। তবে প্রথম বলেই নো-বল করার পর ভেবেছিলাম ও ফিরে আসবে। সেটা আর হয়নি। ওই ওভারটাই ম্যাচের ফল বদলে দিয়েছে। আশা করি, ও এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেবে।”
ইংল্যান্ডের জয়ের নেপথ্যে দুই ক্রিকেটারের বিশেষ প্রশংসা করেছেন ভারত অধিনায়ক। বল হাতে স্যাম কারেন এবং ব্যাট হাতে জেকব বেথেল ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নেন। চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন কারেন। অন্যদিকে ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন বেথেল।
শ্রেয়সের মতে, প্রথম ১৫ ওভার পর্যন্ত দুই ইনিংসেই ভারত এগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষের দিকে ইংল্যান্ড অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করে। তিনি বলেন, “কারেন অফ স্টাম্পের বাইরে ধারাবাহিক ভাবে সঠিক জায়গায় বল করেছে। আর বেথেল পরিস্থিতি বুঝে নির্দিষ্ট বোলারদের টার্গেট করেছে। ওদের পরিকল্পনাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।”
এই ম্যাচেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর। জোড়া ছক্কা হাঁকিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুরু করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি। তবুও তরুণ ব্যাটারের মানসিকতায় মুগ্ধ শ্রেয়স।
ভারত অধিনায়ক বলেন, “বৈভবের মানসিকতা সত্যিই অসাধারণ। ও কোনও চাপ নেয় না। নেটে ওর ব্যাটিং দেখেও অনেক কিছু শেখার আছে। আমি জানতাম, অভিষেক ম্যাচেও ও নির্ভীক থাকবে। সেটাই মাঠে দেখা গেল।”
অধিনায়ক হিসেবে টানা তিন ম্যাচ হারলেও আত্মবিশ্বাস হারাতে রাজি নন শ্রেয়স। ভবিষ্যতের দিকেই তাকিয়ে তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাসে কোনও ঘাটতি আসেনি। আমি মনে করি, এর থেকে খারাপ সময় আর আসতে পারে না। এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার দিকেই নজর দিতে হবে।”
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?