‘প্রথম ৬ ওভারেই খেলা শেষ করতে চেয়েছিলাম’, ম্যাচের সেরা হয়েও জয়কে দলগত কৃতিত্ব দিলেন সঞ্জু স্যামসন

ম্যাচের সেরা হয়েও জয়কে দলগত কৃতিত্ব দিলেন সঞ্জু স্যামসন! নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৩৩ বলে ৬৭ রানের…

October 22, 2026
1 min read

ম্যাচের সেরা হয়েও জয়কে দলগত কৃতিত্ব দিলেন সঞ্জু স্যামসন!

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৩৩ বলে ৬৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত সাফল্যে ভেসে না গিয়ে এই জয়ের কৃতিত্ব সতীর্থদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ভারতীয় ওপেনার। তাঁর মতে, দলের প্রত্যেকের অবদানেই এসেছে এই জয়।

জয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বললেন সঞ্জু

ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কার নিতে গিয়ে সঞ্জু জানান, সিরিজ়ের শুরুতেই জয় পাওয়াটা দলের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচ জেতাই বড় কথা। সেই জয়ে তাঁর নিজের অবদান থাকলেও দলের প্রত্যেকেই কোনও না কোনও ভাবে সাহায্য করেছেন। তাই এই জয়কে সম্পূর্ণ দলগত সাফল্য হিসাবেই দেখছেন তিনি।

২২৬ রান তাড়া করতে নেমে অভিষেক শর্মার সঙ্গে দুরন্ত শুরু করেছিলেন সঞ্জু। মাত্র ৫.৫ ওভারে দু’জনের জুটিতে ওঠে ৯৩ রান। তাঁদের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়েই শুরুতে চাপে পড়ে যায় নিউ জ়িল্যান্ড।

পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের ভিত গড়ার পরিকল্পনা

এত দ্রুত রান তোলার পিছনে কী পরিকল্পনা ছিল? সঞ্জুর বক্তব্য, তাঁরা জানতেন, বড় রান তাড়া করতে হলে পাওয়ার প্লে-তে যত বেশি সম্ভব রান তুলতে হবে। প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার লক্ষ্য ছিল তাঁদের।

সঞ্জু জানান, সেই সময় তিনি ও অভিষেক নিজেদের মধ্যে কথা বললেও আসল লক্ষ্য ছিল বলের দিকে নজর রেখে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা। পাওয়ার প্লে-তে ৯০ রানের বেশি তুলে তাঁরা নিজেদের পরিকল্পনা কার্যকর করতে পেরেছেন। ভারতের জয়ের ভিত তৈরি হয়েছিল সেখানেই।

সুইং সামলে ইতিবাচক ব্যাটিং

ক্রাইস্টচার্চের পিচে ব্যাট করা একেবারে সহজ ছিল না বলেও জানিয়েছেন সঞ্জু। তাঁর মতে, বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে বল বেশ ভাল সুইং করছিল। তবে পিচে পড়ার পর বল ব্যাটে ভাল আসছিল। সেই পরিস্থিতিতে বলের লাইন বুঝে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি ও অভিষেক।

সঞ্জুর মতে, ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করাই তাঁদের শক্তি। তাই পরিস্থিতি কঠিন হলেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং থেকে সরে আসেননি তাঁরা।

শিশিরে ব্যাটারদের সুবিধা

ম্যাচ যত এগিয়েছে, শিশির পড়ায় ব্যাট করা তত সহজ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন সঞ্জু। প্রথম ইনিংসে কয়েকটি বল পিচে পড়ে থমকে যাচ্ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেও সেই সমস্যা ছিল। কিন্তু পরে শিশির পড়তে শুরু করলে ব্যাটারদের সুবিধা হয়।

এই পিচে ব্যাট করে আনন্দ পেয়েছেন বলেও জানান ভারতের ওপেনার। তাঁর ৩৩ বলে ৬৭ রানের ইনিংস ভারতের রান তাড়ার গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল। পরে শ্রেয়স আয়ারের ৪২ রান এবং নমন ধীরের ১৫ বলে অপরাজিত ৪২ রানের ইনিংসে জয় নিশ্চিত হয়।

ব্যাটারদের দাপটে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে রেকর্ড রান তাড়া করে জিতেছে ভারত। আর ম্যাচের সেরা হয়েও সঞ্জুর বার্তা স্পষ্ট—ব্যক্তিগত পুরস্কারের চেয়ে দলের জয়ই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *