বুমরাহের অনুপস্থিতিতে কেন বাড়ছে তাঁর গুরুত্ব? জানালেন শ্রেয়স
চার বছর পর আবার ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে তাঁর খেলার কথা। এই সিরিজ়ে জসপ্রীত বুমরাহ না থাকায় ভারতীয় বোলিং বিভাগে বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে হতে পারে ভুবনেশ্বরকে। দীর্ঘ বিরতির পর কেন তাঁকে দলে ফেরানো হল, তা ব্যাখ্যা করলেন ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার।
প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে সাংবাদিক বৈঠকে ভুবনেশ্বরকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয় শ্রেয়সকে। উত্তরে তিনি জানান, এই পেসারের অভিজ্ঞতা এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সাফল্যের কথা মাথায় রেখেই তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দলে বেশ কয়েক জন নতুন বোলার থাকায় ভুবনেশ্বরের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করছেন অধিনায়ক।
শ্রেয়স বলেন, “ভুবির বিশাল অভিজ্ঞতা। বুমরাহ না থাকায় আইপিএলের পর থেকে অভিজ্ঞতার অভাব হচ্ছিল। আমাদের দলে বেশ কয়েক জন নতুন বোলার রয়েছে। কিন্তু ভুবি গত দু’বার দলকে আইপিএল জিতিয়েছে। এই ফরম্যাটে কী ভাবে দাপট দেখাতে হয় সেটা ও জানে। তাই ওকে নেওয়া হয়েছে।”
আইপিএলের পারফরম্যান্সে আস্থা
ভারতের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৮৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ভুবনেশ্বর। নিয়েছেন ৯০টি উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি আইপিএলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেছেন তিনি। গত দুই মরসুমে মোট ৪৫টি উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।
বুমরাহের অনুপস্থিতিতে বোলিং বিভাগে অভিজ্ঞতার ঘাটতি পূরণ করতে পারেন ভুবনেশ্বর। নতুন বোলারদের সঙ্গে তাঁর অভিজ্ঞতা ভারতের পেস আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। নিউ জ়িল্যান্ডের পরিবেশও তাঁর বোলিংয়ের পক্ষে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন শ্রেয়স।
ভারত অধিনায়কের কথায়, “এখানকার পরিবেশ ও আবহাওয়া পেসারদের সাহায্য করে। আমরা ভারতে যে পরিবেশে খেলি তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই পরিবেশে ভুবিকে আমাদের দরকার।”
নিউ জ়িল্যান্ডের পরিবেশ বড় চ্যালেঞ্জ
নিউ জ়িল্যান্ডের পরিবেশ ভারতীয় ক্রিকেটারদের কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে। দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই সেখানে প্রথম বার খেলতে গিয়েছেন। তাই সেখানকার আবহাওয়া ও পিচের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন শ্রেয়স।
ম্যাচের দিন উইকেট কেমন আচরণ করবে, তা আগে থেকে বলা কঠিন। তবে অনুশীলনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বুঝে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ভারত অধিনায়ক। তিনি বলেন, “ম্যাচের দিন উইকেট কেমন হবে তা আগে থেকে কেউ জানে না। আশা করছি, তাড়াতাড়ি পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারব। একটা ভাল অনুশীলনের পরে সকলেই বুঝে যাবে, কেমন ভাবে খেলতে হবে।”
পরিবেশের সুবিধা পাবে নিউ জ়িল্যান্ডও
ঘরের মাঠে খেলার কারণে নিউ জ়িল্যান্ডের ক্রিকেটারেরা পরিবেশের সঙ্গে বেশি পরিচিত। সেই দিক থেকে স্বাগতিক দল কিছুটা সুবিধা পেতে পারে বলে স্বীকার করেছেন শ্রেয়স। তবে তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হবে মাঠের পারফরম্যান্সেই।
শ্রেয়স বলেন, “ওরা এই ধরনের পরিবেশে খেলে অভ্যস্ত। সেই সুবিধা তো ওরা অবশ্যই পাবে। তবে তার বাইরে কোনও তফাত নেই। মাঠে নেমে ব্যাট-বলের লড়াই হবে। যে ওই তিন ঘণ্টায় ভাল খেলবে, সে জিতবে।”
চার বছর পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় ভুবনেশ্বর। বুমরাহের অনুপস্থিতিতে তাঁর অভিজ্ঞতা কতটা কাজে আসে এবং নিউ জ়িল্যান্ডের পরিবেশে তিনি কতটা কার্যকর হন, নজর থাকবে সে দিকেই।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।