ভারত-পাক সংঘাতে যুদ্ধবিমান ধ্বংসের!
ভারত-পাক সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা দাবি-প্রতিদাবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। জুলাই মাসে তিনি দাবি করেছিলেন, সংঘাতের সময় মোট পাঁচটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল। কিন্তু অগস্ট মাসে সেই বক্তব্য থেকে সরে এসে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি জানান, মোট সাতটি বিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল। যদিও এবারও ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেননি, কোন দেশ কাদের বিমান নামিয়েছে।
একই সঙ্গে ট্রাম্প পুনরায় দাবি করেন, তাঁর মধ্যস্থতাতেই ভারত ও পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতিতে পৌঁছেছিল। ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন হলেও বিতর্ক পুরনো। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ঘটনা আগেই স্বীকার করেছিলেন ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল অনিল চৌহান। তবে তিনি কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেননি।
অন্যদিকে, পাকিস্তান বহুবার দাবি করেছে যে, তারা ভারতের অন্তত ছ’টি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে। কিন্তু জেনারেল চৌহান সেই দাবি সরাসরি খারিজ করেছেন। পরে ভারতের বায়ুসেনা প্রধান এপি সিংহ জানান, ভারতের পাল্টা হামলায় পাকিস্তানের ছ’টি বিমান ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় আকারের সামরিক পরিবহন বিমান। সিংহ আরও জানান, এই হামলা ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে পরিচালিত হয়েছিল, যা পাকিস্তানের সামরিক শক্তিকে বড় ধাক্কা দেয়।
উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়। ৬ মে শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযানে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। এর পর টানা চার দিন ধরে দুই দেশের মধ্যে তীব্র সংঘাত চলে। যদিও আপাতত সংঘর্ষবিরতি চলছে, তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক এখনো তলানিতে।
যুদ্ধবিমান ধ্বংসের সংখ্যা নিয়ে ভারত-পাকিস্তান উভয় দেশের দাবির মধ্যে ফারাক থাকলেও ট্রাম্পের মন্তব্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এই দাবি দুই দেশের সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।
আপনি কি চান আমি এটাকে আরেকটু সাংবাদিকতার ভাষায় (নিউজরুম স্টাইল) লিখি যাতে খবরের কাগজে ছাপার মতো শোনায়?