শাস্তির সুযোগে পাকিস্তানকে ৭ গোল দিল ভারত!
হকির মাঠে নিয়ম ভাঙার বড় মূল্য চোকাতে হল পাকিস্তানকে। প্রতি দলে পাঁচ জন খেলোয়াড়ের আন্তর্জাতিক ফাইভ-এ-সাইড ম্যাচে নির্ধারিত সংখ্যার বদলে ছয় জন খেলোয়াড় নামিয়ে শুরু করে পাকিস্তান। রেফারির নজরে আসতেই পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায়। শাস্তিস্বরূপ শুধু অতিরিক্ত খেলোয়াড়কেই সরানো হয়নি, আরও দু’জন পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে মাঠের বাইরে পাঠানো হয়। ফলে ম্যাচের বেশির ভাগ সময় মাত্র তিন জনকে নিয়েই খেলতে বাধ্য হয় তারা।
ওমানে আয়োজিত ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক ফাইভ-এ-সাইড ম্যাচের শুরুতেই এই বিতর্কিত ঘটনা ঘটে। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে একসঙ্গে পাঁচ জনের বেশি খেলোয়াড় থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু পাকিস্তানের ভুলে ম্যাচ শুরুর পরই ছয় জন খেলোয়াড় মাঠে নেমে পড়েন। বিষয়টি বুঝতে পেরেই রেফারি দ্রুত ব্যবস্থা নেন।
শাস্তির ফলে সংখ্যাগত সুবিধা পেয়ে যায় ভারত। দুই খেলোয়াড় বেশি নিয়ে খেলতে নেমে সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান ভারতীয়রা। ধারাবাহিক আক্রমণে পাকিস্তানের রক্ষণকে চাপে রেখে শেষ পর্যন্ত ৭-৩ গোলে জয় তুলে নেয় ভারত।
ঘটনার পর পাকিস্তান হকি মহলে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান হকি ফেডারেশন দলের কোচিং স্টাফের কাছে এই ভুলের ব্যাখ্যা চেয়েছে। প্রধান কোচ তাহির জামান, সহকারী কোচ রেহান বাট, কামার ইব্রাহিম এবং উমর ভুট্টোর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কীভাবে এমন মৌলিক ভুল ঘটল।
প্রাথমিক ব্যাখ্যায় পাকিস্তান শিবিরের দাবি, খেলোয়াড় বদলের সময় যোগাযোগে সমস্যার কারণেই এই বিভ্রাট হয়েছে। তবে এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট নন অনেকেই। কারণ, অতীতেও একই ধরনের ভুলের খেসারত দিতে হয়েছে পাকিস্তানকে।
২০২২ সালের হকি এশিয়া কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে জাপানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেও একই ভুল করেছিল তারা। সে বার ১১ জনের বদলে ১২ জন খেলোয়াড় মাঠে থাকায় শেষ মুহূর্তের সমতা ফেরানো গোল বাতিল করে দেওয়া হয়। সেই হারের ফলেই বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি পাকিস্তান।
চার বছর পর আবারও একই ধরনের ভুল পাকিস্তানের শৃঙ্খলা ও ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হার মেনে মাঠ ছাড়তে হল পাকিস্তানকে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?