বিধানসভা নির্বাচনে আসন বাড়বে তৃণমূলের, আত্মবিশ্বাসে ভরপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

বিধানসভা নির্বাচনে আসন বাড়বে তৃণমূলের! পশ্চিমবঙ্গের আগামী বিধানসভা নির্বাচন এখনও সাত মাস দূরে হলেও রাজনৈতিক উত্তাপ ইতিমধ্যেই চরমে। এই প্রেক্ষাপটেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন,…

August 29, 2025
1 min read

বিধানসভা নির্বাচনে আসন বাড়বে তৃণমূলের!

পশ্চিমবঙ্গের আগামী বিধানসভা নির্বাচন এখনও সাত মাস দূরে হলেও রাজনৈতিক উত্তাপ ইতিমধ্যেই চরমে। এই প্রেক্ষাপটেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন, আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২০২১ সালের তুলনায় আরও বেশি আসন পাবে। সাধারণত মমতা সংখ্যার ভবিষ্যদ্বাণী না করে ‘জেতার লড়াই’ নিয়ে কথা বলেন, তাই এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোড়ন তুলেছে।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকেই মমতার এই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য উঠে আসে। তিনি বলেন, “বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমি তৃণমূল ছাড়বে না। মানুষের আশীর্বাদে তৈরি এই দল আগামী নির্বাচনে আরও বেশি আসন পাবে। কারণ আমরা উন্নয়ন করি এবং তা আরও করব।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে বলেন, বিজেপি ৫০ আসনের বেশি পাবে না।

২০২১ সালের নির্বাচনে ২৯২ আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ২১৩টি আসন। পরে মুর্শিদাবাদের স্থগিত দুটি আসন, একাধিক উপনির্বাচন এবং বিজেপি বিধায়কদের দলবদলের ফলে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৯-এ। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২১ সালের ভোটে পাওয়া ২১৫ আসনকেই প্রাথমিক হিসাব হিসেবে ধরে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতার এই আত্মবিশ্বাসের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, সরকারি পরিষেবা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি পৌঁছাতে পেরেছে। এমন কোনও বাড়ি খুঁজে পাওয়া মুশকিল যেখানে সরকারি সুবিধা পৌঁছায়নি। বিশেষ করে মহিলা এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে মমতার প্রভাব অটুট।

দ্বিতীয়ত, বুথস্তরের শক্তিশালী সংগঠন তৃণমূলের অন্যতম বড় অস্ত্র। তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে, বিজেপি মেরুকরণের রাজনীতি করতে পারলেও তাদের সংগঠনগত দুর্বলতা তৃণমূলের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে। তৃতীয়ত, বিরোধী শিবিরে ঐক্যের অভাবও তৃণমূলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক কৌশলবিদদের মতে, এই ধরনের আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা শুধু ভোটারদের মধ্যে বার্তা পাঠানোর জন্য নয়, দলের কর্মীদেরও চাঙ্গা করতে সহায়ক। পাশাপাশি, বিজেপি-সহ প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির মনোবলেও আঘাত হানতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব।

সব মিলিয়ে, মমতার এই মন্তব্যে স্পষ্ট—২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখাই নয়, তা আরও শক্তিশালী করার জন্য তৃণমূল এখন থেকেই আত্মবিশ্বাসী এবং প্রস্তুত।

ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে সহজ জয় রাডুকানু ও আজ়ারেঙ্কার

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *