বিজয়ের সাফল্যে কি হিংসা করছেন রজনীকান্ত?
Rajinikanth এবং Vijay— দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির দুই মহাতারকাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা জল্পনা চলে। সম্প্রতি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ নেওয়ার পর সেই আলোচনা আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে, বিজয়ের ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রথম দিকে রজনীকান্তের নীরবতা নিয়েই শুরু হয় নানা বিতর্ক।
অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, বিজয়ের এই রাজনৈতিক সাফল্যে কি অস্বস্তিতে রয়েছেন ‘তলাইভা’? কেউ কেউ তো সরাসরি অভিযোগ করেন, রজনীকান্ত নাকি বিজয়কে হিংসা করছেন।
অবশেষে সেই বিতর্কেরই জবাব দিলেন রজনীকান্ত।
সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, বিজয়ের সাফল্যে তিনি কি ঈর্ষান্বিত? উত্তরে স্পষ্ট ভাষায় রজনীকান্ত বলেন, “না, আমার মানসিকতা এত ছোট নয়। আমি বিজয়কে হিংসা করব কেন? আমাদের বয়সের মধ্যে প্রায় ২৫ বছরের পার্থক্য। আমরা যদি একে অপরকে প্রতিপক্ষ ভাবতে শুরু করি, তা হলে সেটা কারও জন্যই ভাল হবে না।”
তবে এখানেই থামেননি তিনি। বরং মজার ছলেই আরও একটি মন্তব্য করে বসেন অভিনেতা। রজনীকান্ত বলেন, “যদি Kamal Haasan মুখ্যমন্ত্রী হতেন, তা হলে হয়তো হিংসা করার জায়গা থাকত।”
রজনীকান্তের এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে চর্চা। অনেকেই বলছেন, এই উত্তরেই নিজের আত্মবিশ্বাস ও বড় মনের পরিচয় দিলেন তিনি।
পাশাপাশি বিজয়ের রাজনৈতিক সাফল্যের প্রশংসাও করেছেন রজনীকান্ত। তাঁর মতে, এত অল্প বয়সে বিজয় যে সাফল্য পেয়েছেন, তা সত্যিই বিরল। তিনি বলেন, “৫১ বছর বয়সেই বিজয় এমজিআর এবং এনটিআর-এর থেকেও বড় রাজনৈতিক সাফল্য পেয়েছে। শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়ে জেতা সহজ নয়। ওর এই সাফল্য আমাকে আনন্দ দিয়েছে।”
দক্ষিণ ভারতের সিনেমা এবং রাজনীতির সম্পর্ক বহু পুরনো। M. G. Ramachandran বা N. T. Rama Rao-এর মতো তারকারা সিনেমা থেকে রাজনীতিতে এসে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। সেই পথেই হেঁটেছিলেন রজনীকান্ত এবং কমল হাসনও। তবে তাঁরা প্রত্যাশিত সাফল্য পাননি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিজয়ের এই জয়কে অনেকেই দক্ষিণী রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা বলেই মনে করছেন।
আর রজনীকান্তের বক্তব্যে স্পষ্ট, ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার বদলে তিনি বিজয়ের এই সাফল্যকে সম্মান জানাতেই বেশি আগ্রহী।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা