বাবার পাশে শ্রদ্ধা!
শুক্রবার মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে বাবাকে নিয়ে পৌঁছেছিলেন Shraddha Kapoor। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা, বর্ষীয়ান অভিনেতা Shakti Kapoor। ব্যক্তিগত এই মুহূর্তে ক্যামেরার ঝলকানি মোটেই পছন্দ হয়নি শ্রদ্ধার। হাসপাতালের বাইরে ছবি তুলতে শুরু করতেই স্পষ্ট বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি।
সাদা ছাপা শার্ট, ডেনিম প্যান্ট আর মুখে মাস্ক— একেবারে সাদামাটা পোশাকে দেখা গিয়েছিল শ্রদ্ধাকে। অন্য দিকে, শক্তি কপূরের পরনে ছিল গোলাপি রঙের টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট, তাঁর মুখও ঢাকা ছিল মাস্কে। হাসপাতাল থেকে বাবাকে গাড়িতে তুলতে ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী। ঠিক সেই সময়েই বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ছবিশিকারিদের দিকে তাকিয়ে কড়া গলায় ছবি তুলতে বারণ করেন তিনি। সেই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যেই ক্যামেরাবন্দি হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে।
ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন অনুরাগীরা। শক্তি কপূরের শরীর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে— নিয়মিত চেক-আপ, না কি অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা? যদিও এই বিষয়ে শ্রদ্ধা বা পরিবারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে। তবে ঘনিষ্ঠ মহলের একাংশের মতে, এটি রুটিন স্বাস্থ্যপরীক্ষাও হতে পারে।
আসলে শ্রদ্ধা বরাবরই নিজের পরিবারকে নিয়ে খুব সংরক্ষিত। কাজের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন আলোচনার কেন্দ্রে এলে তিনি যে স্বচ্ছন্দ নন, তা আগেও বোঝা গিয়েছে। বাবার অসুস্থতা সংক্রান্ত কোনও খবর ছড়িয়ে পড়ুক— এমনটা নিশ্চয়ই চাননি তিনি। তাই ক্যামেরার উপস্থিতিতে তাঁর এমন প্রতিক্রিয়া অনেকের কাছেই স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে।
কিছু দিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে মেয়েকে নিয়ে গর্বের কথা বলেছিলেন শক্তি কপূর। বলেছিলেন, শ্রদ্ধা ভীষণ জেদি এবং নিজের নীতিতে অটল। যা মনে করে, সেটাই করে। বাবা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে শক্তির মন্তব্য ছিল, “আমাদের কখনও খুব ঝগড়া হয়, আবার কখনও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করি। কখনও ছবির কাজ নিয়ে আলোচনা হয়। ওর জন্য আমি সত্যিই গর্বিত।”
এই ঘটনার পরও সেই কথাই যেন নতুন করে সামনে এসেছে— শ্রদ্ধা শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন, তিনি একজন দায়িত্বশীল মেয়ে। বাবার পাশে দাঁড়ানো, তাঁকে আগলে রাখা তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্যামেরার ঝলকানি, ভাইরাল ভিডিও— সব কিছুর ঊর্ধ্বে তখন বাবার স্বস্তিই তাঁর প্রথম চিন্তা।
অনুরাগীরাও আপাতত একটাই আশা করছেন— শক্তি কপূর সুস্থ থাকুন। বাকিটা নিয়ে কথা বলার সময় নিশ্চয়ই পরে আসবে।
‘মৃত’ ভোটার মঞ্চে হাজির! বারুইপুরের ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাইল কমিশন