প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার সংসদে প্রথম শপথ গ্রহণ, সঙ্গী দাদা রাহুল এবং মা সনিয়া

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার সংসদে প্রথম শপথ গ্রহণ প্রথমবার সংসদে পা রেখে সাংসদ হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার কিছু পরে কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্রের নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে…

November 28, 2024
1 min read

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার সংসদে প্রথম শপথ গ্রহণ

প্রথমবার সংসদে পা রেখে সাংসদ হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার কিছু পরে কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্রের নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে শপথ নেন তিনি। শপথ গ্রহণের সময় প্রিয়ঙ্কা ডান হাতে লাল-কালো মলাটের সংবিধান তুলে ধরে শপথ করেন। এই দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু।

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার এই দিনটি আরও বিশেষ হয়ে ওঠে তার পরিবারের উপস্থিতিতে। তার পাশে ছিলেন দাদা, রায়বরেলীর কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং মা, রাজস্থান থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার সাংসদ সনিয়া গান্ধী। সংসদে ঢোকার পর কংগ্রেস দলের অন্যান্য সাংসদরা তাকে স্বাগত জানান। ‘প্রিয়ঙ্কা স্বাগতম’ স্লোগান তুলে তারা তাকে অভিনন্দন জানান। প্রিয়ঙ্কা জানান, সংসদে আসতে পেরে তিনি অত্যন্ত খুশি, এবং তার পরেই মা ও দাদার সঙ্গে সংসদের ভিতরে প্রবেশ করেন।

শপথ গ্রহণের পর প্রিয়ঙ্কা অন্যান্য সাংসদ এবং সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নমস্কার বিনিময় করেন। পরে তিনি বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নমস্কার করে, যে দৃশ্যটি ছিল পারিবারিক উষ্ণতা এবং একতা প্রমাণিত। রাহুলও হাসিমুখে তার প্রতি নমস্কার করেন। এটি ছিল প্রিয়ঙ্কার জন্য একটি আবেগপূর্ণ মুহূর্ত, কারণ তিনি তার দাদার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই শপথ গ্রহণ করেন। পাঁচ মাস আগে, রাহুলও লাল-কালো মলাটের সংবিধান হাতে শপথ নিয়েছিলেন।

২০০৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই প্রিয়ঙ্কা গান্ধী তার পরিবারের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে শুরু করেছিলেন, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি তখন পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন। তার পর থেকে প্রিয়ঙ্কার রাজনীতির প্রতি আগ্রহ এবং দায়বদ্ধতা প্রকাশ পায়। এই সময়ের মধ্যে, কংগ্রেস দলীয় কর্মী এবং নেতৃবৃন্দের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

২০২৪ সালে কেরলের ওয়েনাড় এবং উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলী, দুই কেন্দ্র থেকেই প্রিয়ঙ্কা গান্ধী নির্বাচিত হন। রাহুল গান্ধী যেহেতু ওয়েনাড় কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন, তাই তিনি নিজের আসনটি প্রিয়ঙ্কার জন্য ছেড়ে দেন। ফলস্বরূপ, প্রিয়ঙ্কা কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন। সিপিআই প্রার্থীর সঙ্গে তার ব্যবধান ছিল প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার ভোট, যা রাহুলের জয়ের চেয়ে আরও বেশি।

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার এই যাত্রা শুধুমাত্র তার পরিবারের জন্যই নয়, দেশের রাজনীতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে, তিনি রাজনীতিতে আরও এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং শক্তি নিয়ে কাজ করবেন, এমনটাই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *