প্রিয়ঙ্কার নির্বাচনী যাত্রা: সনিয়া-রাহুলের সঙ্গে ওয়েনাড়ে মনোনয়ন জমা

প্রিয়ঙ্কার নির্বাচনী যাত্রা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা বুধবার কেরলের ওয়েনাড় লোকসভার উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়ে তাঁর নির্বাচনী যাত্রা শুরু করলেন। যদিও তিনি রাজনীতিতে অনেক দিন ধরেই সক্রিয়, কিন্তু এবারই…

October 23, 2024
1 min read

প্রিয়ঙ্কার নির্বাচনী যাত্রা

কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা বুধবার কেরলের ওয়েনাড় লোকসভার উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়ে তাঁর নির্বাচনী যাত্রা শুরু করলেন। যদিও তিনি রাজনীতিতে অনেক দিন ধরেই সক্রিয়, কিন্তু এবারই প্রথম তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় নামলেন। এদিনের অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মা সনিয়া গান্ধী এবং দাদা রাহুল গান্ধী, সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে।

প্রিয়ঙ্কা মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে ওয়েনাড়ে একটি বর্ণাঢ্য ‘রোড শো’ও করেন। এই রোড শো-তে তিনি রাহুলের সঙ্গে ছিলেন, যা স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক উত্সাহ সৃষ্টি করে। মঙ্গলবার প্রিয়ঙ্কা ওয়েনাড়ে পৌঁছানোর পর স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন, যেখানে নির্বাচন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী গত লোকসভা নির্বাচনে ওয়েনাড় এবং উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলী থেকে লড়েছিলেন। উভয় কেন্দ্রেই তিনি সাড়ে তিন লক্ষের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। পরে তিনি ১৭ জুন রায়বরেলী ধরে রেখে ওয়েনাড়ের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার ঘোষণা করেন এবং প্রিয়ঙ্কাকে ওই আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়ার কথা ঘোষণা করেন।

প্রিয়ঙ্কার

এবারের নির্বাচনে প্রিয়ঙ্কার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন সিপিআইয়ের রাজ্য সহ-সম্পাদক সত্যন মোকারি এবং বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক নব্যা হরিদাস। নব্যা কোঝিকোড় পুরসভার নির্বাচনে দুইবার জয়ী হয়েছেন। গত এপ্রিলে ওয়েনাড়ে রাহুলের বিরুদ্ধে সিপিআইয়ের প্রার্থী ছিলেন অ্যানি রাজা, যিনি সিপিআই সাধারণ সম্পাদক ডি রাজার স্ত্রী।

এদিকে, ওয়েনাড়ের উপনির্বাচন আগামী ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এবং ভোট গণনা হবে ২৩ নভেম্বর। ওই দিন মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন এবং ১৫ রাজ্যের মোট দু’টি লোকসভা ও ৪৮টি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের গণনা করা হবে।

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার এই নির্বাচনী অভিষেক রাজনীতির দুনিয়ায় নতুন রঙে রাঙানোর প্রতিশ্রুতি বহন করছে। তিনি বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ্যতা দেখিয়েছেন, কিন্তু এবার প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলী প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

এই নির্বাচনে প্রিয়ঙ্কার প্রতিদ্বন্দ্বিতা কংগ্রেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কংগ্রেসের জন্য এটি একটি পরীক্ষার ক্ষেত্র, যেখানে তাঁরা আশা করছেন প্রিয়ঙ্কার নেতৃত্বে তারা ওয়েনাড়ে একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ায় দলীয় সমর্থন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *