উইকেটকিপিংয়ে এগিয়ে জিতেশ!
দুবাইয়ে চলছে এশিয়া কাপের প্রস্তুতি। ভারতীয় দলের অনুশীলন যত এগোচ্ছে, ততই যেন স্পষ্ট হয়ে উঠছে— সঞ্জু স্যামসনের খেলার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে। টি-টোয়েন্টিতে ইতিমধ্যেই তিনটি শতরান করা এই প্রতিভাবান উইকেটকিপারকে একাদশে রাখার ব্যাপারে খুব একটা উৎসাহী নন কোচ গৌতম গম্ভীর। তার বদলে সুযোগ পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছেন জিতেশ শর্মা।
সোমবারের অনুশীলনে শুরুতে একা একাই উইকেটকিপিংয়ের প্র্যাকটিসে মন দেন সঞ্জু। ঝাঁপিয়ে পড়ে এক চমৎকার ক্যাচ নিয়ে সতীর্থদের প্রশংসা কুড়িয়েও নেন তিনি। ঠিক সেই সময় গম্ভীর এগিয়ে এসে প্রায় তিন মিনিট কথা বলেন সঞ্জুর সঙ্গে। বোঝা গিয়েছিল, মূলত তাঁর ব্যাটিং নিয়েই আলাপ চলছে।
তবে পরে অনুশীলনের দৃশ্যপট অনেক কিছু স্পষ্ট করে দেয়। জিতেশকে দেখা যায় শিবম দুবে, তিলক বর্মা এবং হার্দিক পাণ্ড্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ নেটে ব্যাট করতে। ব্যাট হাতে তৈরি হয়ে অপেক্ষা করছিলেন সঞ্জুও, কিন্তু তাঁকে ডাকাই হয়নি। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর চুপচাপ নেট ছেড়ে চলে যান তিনি। ক্লাব হাউসের বাইরে এক পামগাছের নীচে গিয়ে একা বসে পড়েন।
এদিকে শুভমন গিল, সূর্যকুমার যাদব, অভিষেক শর্মারা বারবার ব্যাটিং অনুশীলনের সুযোগ পান। সঞ্জুকে একবারও ডাকা হয়নি। শেষমেশ তিনি নিজেই বুঝতে পারেন, আর ব্যাট করার সুযোগ মিলবে না। হতাশ মুখে আইস বক্সের উপর গিয়ে বসেন। দিনের শেষে যখন সবার অনুশীলন প্রায় শেষ, তখন নেট বোলারদের সামনে কয়েকটি বল খেলে চুপচাপ ফিরে যান তিনি।
শুধু সঞ্জু নন, রিঙ্কু সিংহও একই অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন। তাঁকেও অনুশীলনে ব্যাট করার ডাক দেওয়া হয়নি। শেষে একদম শেষে থ্রো ডাউন নিতে দেখা যায় তাঁকে।
গম্ভীরের পরিকল্পনায় স্পষ্ট— এশিয়া কাপে তিনি ব্যাটিংয়ের গভীরতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেই জায়গায় সঞ্জুর চেয়ে এগিয়ে রাখছেন জিতেশকে। আইপিএলে বেঙ্গালুরুর হয়ে ভাল খেলে নজর কেড়েছেন জিতেশ, তাই তাঁকেই এই টুর্নামেন্টে সুযোগ দিতে চাইছেন কোচ।
এমন পরিস্থিতিতে সঞ্জুর একাদশে জায়গা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে। যদিও প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে তিনি পিছিয়ে নন, তবু নির্বাচনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে টিম ম্যানেজমেন্টের কৌশল ও ভারসাম্যের উপর। এশিয়া কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচে কে শেষ পর্যন্ত উইকেটকিপারের গ্লাভস হাতে নামবেন, এখন সেটিই সবার কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।
ChatGPT can make
ওড়িশায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি, ১৩৯৬ কোটির প্রতারণা মামলায় উদ্ধার কোটি টাকার সম্পদ