শতরান নয়, দলের জয়ই আসল! নজির গড়েও কেন থামলেন সঞ্জু স্যামসন

নজির গড়েও কেন থামলেন সঞ্জু স্যামসন! দিল্লির বিরুদ্ধে দুরন্ত ব্যাটিং করেও শতরান পূর্ণ করলেন না সঞ্জু স্যামসন। বরং ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে দলের জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিলেন তিনি। মঙ্গলবার আইপিএলে চেন্নাইয়ের…

May 7, 2026
1 min read

নজির গড়েও কেন থামলেন সঞ্জু স্যামসন!

দিল্লির বিরুদ্ধে দুরন্ত ব্যাটিং করেও শতরান পূর্ণ করলেন না সঞ্জু স্যামসন। বরং ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে দলের জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিলেন তিনি। মঙ্গলবার আইপিএলে চেন্নাইয়ের জার্সিতে অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে পৌঁছে দেন সঞ্জু। ম্যাচ শেষে তাঁর ব্যাখ্যা অনেক ক্রিকেটপ্রেমীরই মন জিতে নিয়েছে।

ম্যাচের একটা সময় চেন্নাইয়ের জিততে প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। সেই সময় সঞ্জুর ব্যক্তিগত রান ছিল ৭৯। অর্থাৎ শতরান করতে দরকার ছিল আরও ২১ রান। হাতে ছিল যথেষ্ট বলও। চাইলে ব্যক্তিগত শতরানের দিকে এগোতেই পারতেন। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি তিনি।

বরং সতীর্থ কার্তিক শর্মাকে বেশি স্ট্রাইক দেন সঞ্জু। শেষ দিকে কার্তিকের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে দ্রুত ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। শেষ ৩৩ রানের মধ্যে সঞ্জুর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৮ রান। অন্য দিকে কার্তিক তিনটি চার এবং একটি ছক্কা মেরে চেন্নাইকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

ম্যাচের পরে সঞ্জু বলেন, “শতরান সব সময় বিশেষ অনুভূতি। কিন্তু ওই পরিস্থিতিতে নিজের শতরানের জন্য খেলতে গেলে সেটা স্বার্থপরতা হত। আমি চাইছিলাম দল যেন দ্রুত জেতে। অপরাজিত থেকে দলকে জেতানোর আনন্দ আলাদা।”

তাঁর এই মানসিকতার প্রশংসা করেছেন ক্রিকেটবিশেষজ্ঞরাও। টি-টোয়েন্টির যুগে যেখানে অনেক সময় ব্যক্তিগত রেকর্ডকে প্রাধান্য দিতে দেখা যায়, সেখানে সঞ্জুর এই সিদ্ধান্তকে দলগত ক্রিকেটের বড় উদাহরণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

দিল্লির পিচে ব্যাট করাও খুব সহজ ছিল না। মন্থর উইকেট, কখনও নিচু বাউন্স, কখনও অতিরিক্ত লাফ— সব মিলিয়ে ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে সেই কঠিন পিচেই অনবদ্য ইনিংস খেলেন সঞ্জু।

সাফল্যের রহস্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি গত কয়েক বছর ধরে শরীরের নড়াচড়া এবং ব্যালান্স নিয়ে আলাদা করে কাজ করছি। পাশাপাশি প্রতিটি বোলারের জন্য আলাদা পরিকল্পনা থাকে। সেটাই কাজে লেগেছে।”

এই ইনিংসের মাধ্যমে আইপিএলেও একটি বিশেষ নজির গড়েছেন সঞ্জু। এক মরসুমে একটি নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে ২০০-র বেশি রান করার কৃতিত্ব পেলেন তিনি। এ বছর দিল্লির বিরুদ্ধে তাঁর মোট রান ২০২। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন অপরাজিত ১১৫, আর দ্বিতীয় ম্যাচে অপরাজিত ৮৭।

এর আগে এই নজির গড়েছিলেন মাত্র দু’জন— Virat Kohli এবং KL Rahul। ২০১৬ সালে গুজরাত লায়ন্সের বিরুদ্ধে দু’টি শতরান করেছিলেন কোহলি। ২০২২ সালে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে একই কীর্তি গড়েছিলেন রাহুল। এ বার সেই তালিকায় নিজের নাম তুলে ফেললেন Sanju Samson।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *