পুরনো ক্লাবের কাছে হার, ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মেসি—দুঃস্বপ্নের রাত ইন্টার মায়ামির

ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মেসি একসময় যাঁদের সঙ্গে জেতা-হারা, সাফল্য-ব্যর্থতায় জড়িয়ে ছিলেন, আজ তাঁরাই লিওনেল মেসির স্বপ্নভঙ্গের কারণ। ক্লাব বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারিস সঁ জারমঁর কাছে ৪-০ গোলে হেরে…

June 30, 2025
1 min read

ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মেসি

একসময় যাঁদের সঙ্গে জেতা-হারা, সাফল্য-ব্যর্থতায় জড়িয়ে ছিলেন, আজ তাঁরাই লিওনেল মেসির স্বপ্নভঙ্গের কারণ। ক্লাব বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারিস সঁ জারমঁর কাছে ৪-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি। আর এতেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের আশাও শেষ হয়ে গেল অন্তত এই মরসুমে।

এই হারের মধ্যে দিয়েই এক অদ্ভুত নিয়তির পরিহাস ফুটে উঠল। প্যারিসই তো সেই ক্লাব যেখানে মেসি খেলেছিলেন সদ্য অতীতে। কিন্তু এবার সেই ক্লাবের হাতেই তাঁর বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল। ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন জোয়াও নেভেস, যিনি করেন দুটি দুর্দান্ত গোল। একটি করে গোল করেন আশরফ হাকিমি এবং মায়ামির ফুটবলার আভিলেস, যাঁর আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান চতুর্থ হয়ে যায়।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল পিএসজি। প্রথম ছ’মিনিটেই তাদের গোল উৎসব শুরু। বাঁদিক থেকে নেওয়া একটি ফ্রিকিক থেকে ভিটিনহা দুর্দান্ত ক্রস করেন, যা নেভেস নিখুঁত হেডে জালে পাঠান। তার পরে পিএসজির আক্রমণের সুনামি যেন কোনওভাবেই থামছিল না। ইন্টার মায়ামির রক্ষণ যেন চোখের পলকে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ভিটিনহা, ডেজ়িরে ডুয়ে, নুনো মেন্দেসরা একের পর এক দারুণ আক্রমণে মায়ামির বক্সে ঢুকে পড়ছিলেন।

ম্যাচের ৩৯ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। বুস্কেৎসের ভুল পাস কেড়ে বল বার্কোলা তুলে দেন ফ্যাবিয়ান রুইজ়ের কাছে। রুইজ় শট না নিয়ে নিখুঁত পাস বাড়ান নেভেসকে, যিনি ঠান্ডা মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। মুহূর্তের মধ্যেই মায়ামি চারদিকে চাপে পড়ে যায়। এরপরেই আসে হাকিমির তৃতীয় গোল এবং আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে চতুর্থ।

ম্যাচের সবচেয়ে হতাশাজনক দিক ছিল লিওনেল মেসির নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স। বার্সেলোনার প্রাক্তন কোচ লুই এনরিক, যিনি এখন পিএসজি-র দায়িত্বে, খুব ভালোভাবেই বুঝতেন মেসিকে কিভাবে রুখতে হয়। সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগিয়ে তাঁর উপর কঠোর মার্কিং বসিয়ে দিয়েছিলেন। ফলাফল—পুরো প্রথমার্ধে মেসি বলই ধরতে পারলেন গোনা দু’-তিনবার, সেটাও অল্প সময়ের জন্য।

ম্যাচ শেষে হতাশা লুকোতে পারেননি ইন্টার মায়ামির সমর্থকরা। কাঁধ ঝুঁকিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি—যেন বুঝিয়ে দেন, এ হার শুধু একটা ম্যাচ নয়, এটা ছিল তাঁর এক বড় স্বপ্নভঙ্গের মুহূর্ত। বিশ্বকাপ জেতা হলেও ক্লাব স্তরে আন্তর্জাতিক মহিমায় তাঁর আরও একটি সম্ভাবনার মুখেই পড়ল যবনিকা।

‘আমার জীবনের চালিকাশক্তি তুমি’ – জন্মদিনে রুক্মিণীকে আদর করে দেব দিয়েছে স্পেশাল শুভেচ্ছা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *