নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির অভিযান: তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ও কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতে তল্লাশি

তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ও কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতে তল্লাশি! রাজ্যে ফের সরগরম রাজনীতি। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার সকাল থেকেই ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কলকাতাসহ…

August 25, 2025
0 min read

তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ও কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতে তল্লাশি!

রাজ্যে ফের সরগরম রাজনীতি। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার সকাল থেকেই ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কলকাতাসহ একাধিক জেলায় একযোগে এই অভিযান চলছে। ইডির একাধিক দল মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমে পৌঁছেছে। মুর্শিদাবাদের আন্দিতে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে তল্লাশি চলছে। জানা গেছে, জীবনকৃষ্ণ নিজেও বাড়িতে উপস্থিত আছেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি। একইসঙ্গে, তাঁর শ্বশুরবাড়ি রঘুনাথগঞ্জে এবং বীরভূমের সাঁইথিয়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতেও হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। মায়া সাহা জীবনকৃষ্ণের পিসি।

ইডি সূত্রে খবর, কলকাতাতেও একাধিক জায়গায় তল্লাশি চলছে। এই অভিযান শুধুমাত্র জীবনকৃষ্ণ সাহার পরিবারের জন্য কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি এবং স্থানের উপর নজর দিচ্ছে ইডি। আন্দিতে সকাল সকাল দুইটি গাড়ি নিয়ে পৌঁছায় ইডি ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। একটি গাড়িতে ছিলেন ইডির আধিকারিকরা, অন্যটিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বাড়িটি ঘিরে ফেলে তারা ভেতরে প্রবেশ করে। পাঁচ সদস্যের ইডি দল বর্তমানে জীবনকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

সাঁইথিয়ার কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়ির সামনেও কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়ির ফটক খোলা থাকলেও সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নেই। মায়া সাহা এখনো বাইরে আসেননি। ইডির আধিকারিকরা বাড়ির ভিতরে রয়েছেন, তবে তদন্তের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

এছাড়া মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের পিয়ারাপুরে জীবনকৃষ্ণের স্ত্রী টগর সাহার বাড়ি এবং মহিষ গ্রামের বাসিন্দা ব্যাংক কর্মচারী রাজেশ ঘোষের বাড়িতেও চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল নিয়োগ মামলায় জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তার আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযোগ ছিল, তল্লাশির সময় প্রমাণ নষ্ট করার জন্য তিনি নিজের দুইটি মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দেন। পরে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর পুকুর থেকে ফোন উদ্ধার হয়। প্রায় ১৩ মাস সিবিআই হেফাজতে থাকার পর তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পান।

এই নতুন অভিযানের ফলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে আরও অগ্রগতি হবে কি না, তা এখনই বলা না গেলেও, সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদলের শীর্ষ নেতাদের পরিবারের উপর ফের কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

থাইরয়েডের সমস্যায় কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics
TMC

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *