ট্রাম্পের এ ঘোষণা!
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি (trade deal) প্রায় সম্পন্নের পথে। ট্রাম্প তাঁর ‘Real America’s Voice’ ইন্টারভিউতে বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে খুবই কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি”। এছাড়া, তিনি ইউরোপের সাথেও চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন।
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, হিসেবে আগামী ১ আগস্ট থেকে শুরু হতে পারে নতুন শুল্ক ব্যবস্থা, যাতে কয়েকটি দেশকে ১০–১৫% পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে—তাদের মধ্যে ছোট দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, তবে ভারত ও ইউরোপে আলাদা পর্যালোচনা চলছে। ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ইতিমধ্যেই ১৯% শুল্কে চুক্তি হয়েছে, যা ভারতের ক্ষেত্রেও বিবেচিত হতে পারে।
🇮🇳 ভারতের জন্য বিশেষ সুবিধা?
ট্রাম্প বলেন, “ইন্দোনেশিয়ার মতো ভারতের ক্ষেত্রেও একই রকম অ্যাক্সেসের কথা ভাবছি… আমরা ভারতের বাজারে প্রবেশ করতে চাই”। ভারতের পক্ষ থেকেও ওয়াশিংটনে বাণিজ্য দল পাঠানো হয়েছে, চলতি সপ্তায় আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুল্ক বিষয়ক টানাপোড়েন
ভারত negociación-এ ২০% এর নিচে শুল্ক আশা করছে, এমনকি ১০%–এর কাছাকাছি লাওয়ার করার চেষ্টাও চলছে। তবে কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের শুল্ক নিয়ে দ্বিমত রয়েছে—ভারত এখনও সংবেদনশীল এই ক্ষেত্রে শর্ত ছাড়ে রাজি নয়।
‘চিঠি’–চুক্তির কৌশল?
ট্রাম্প শুল্ক নির্ধারণ করে বিভিন্ন দেশের কাছে ‘লেটার’ পাঠিয়ে দিচ্ছেন—কিন্তু ভারত পর্যন্ত তা পৌঁছায়নি, যা পরিপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তির ইঙ্গিত দেখাচ্ছে। ওই চিঠিগুলোই “ডিল” হিসেবে দেখা হয়ে থাকে।
শেষ পর্যন্ত কী হবে?
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের জন্য একটি কুলিস্ট ডিল হতে পারে যেখানে আমেরিকান পণ্যের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। তবে অন্যদিকে, কৃষি–দুগ্ধ খাতে ভারতের স্বার্থ রক্ষায় সতর্কতা রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই চুক্তির আওতায় চাল, দুধ, গাড়ি কিংবা ধাতুগুলির শুল্ক আলোচনায় আসতে পারে।
সংক্ষেপে:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ট্রাম্পের বাণিজ্য ঘোষণা | «ভারত–যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল প্রায় সম্পন্ন» |
| শুল্ক নীতি | ছোট দেশদের জন্য ১০–১৫% রেট, ইন্দোনেশিয়ার মতো ভারতের চুক্তির চেষ্টা |
| ভারতের প্রস্তুতি | ওয়াশিংটনে বাণিজ্য দল, আলোচনা চলছে |
| ভারতের অবস্থান | কৃষি ও দুগ্ধ খাতে রেহাই না, আলোচনায় শর্ত কঠিন |
| চিঠি কৌশল | ভারতকে ডিল–চিঠি না দেওয়া, আসন্ন চুক্তির ইঙ্গিত |
সারাতে বলা যায়, অতি দ্রুত—আগস্টের ১–এর আগে—ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি হতে পারে। তবে চূড়ান্ত ফর্মে তা বাস্তবে কখন পরিণত হবে, তা নির্ভর করছে আলোচনা শেষভাবে কীভাবে সাজাগোড়া হয় তার ওপর। পূর্ব–আশ্বাস ও শুল্কে সাধারণ হার কমিয়ে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নিশ্চিত করা থাকতে পারে ভারতের লক্ষ্য।
ভারতের নিজস্ব এআই-স্মার্টফোন ‘NxtQuantum OS’ উন্মোচন – স্বনির্ভরতা ও গোপনীয়তার প্রতিশ্রুত