অকপট স্বীকারোক্তি Ira Khan-এর!
তারকাদের ফিটনেস ভিডিয়ো দেখলে মনে হয়— জিম মানেই আনন্দ, এনার্জি আর অনুপ্রেরণা। কিন্তু বাস্তবটা সব সময় এতটা চকচকে নয়। সেই ‘গ্ল্যামার’-এর আড়ালের কঠিন সত্যিটাই সামনে আনলেন Aamir Khan-এর কন্যা আইরা খান।
সম্প্রতি আবার শরীরচর্চায় ফিরেছেন আইরা। নতুন করে ফিটনেস যাত্রা শুরু করলেও তিনি স্বীকার করেছেন— এই পথ মোটেও সহজ নয়। এক সপ্তাহ কেটে গেলেও জিমে যাওয়ার মধ্যে কোনও আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি। বরং প্রতিদিন নিজেকে জোর করেই সেখানে নিয়ে যেতে হচ্ছে।
আইরার এই স্বীকারোক্তি অনেকের কাছেই ভীষণ বাস্তব মনে হয়েছে। কারণ, শরীরচর্চা শুরু করার সিদ্ধান্ত যতটা সহজ, সেটাকে ধরে রাখা ততটাই কঠিন। বিশেষ করে যখন মন সায় দেয় না, তখন সেই লড়াই আরও কঠিন হয়ে ওঠে।
তিনি জানান, জিমে যাওয়া আসলে শুধু শরীরের নয়, মনেরও পরীক্ষা। অনেক দিন বাদ দিয়ে দিলে আবার শুরু করাটা মানে নতুন করে মানসিক যুদ্ধ শুরু করা। ক্লান্তি, অনীহা, এমনকি হতাশাও ভর করে। তখনই মনে হয়— সব ছেড়ে দেওয়া যাক।
আইরার কথায়, ছোট ছোট অজুহাত থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়। এক দিন জিম বাদ দেওয়া, তারপর ধীরে ধীরে তা অভ্যাসে পরিণত হওয়া— এই চক্র ভাঙাটাই সবচেয়ে কঠিন। তাই তিনি নিজের জন্য কড়া নিয়ম বানিয়েছেন। জিম না করলে অন্য কাজেও হাত দেন না— এমন শৃঙ্খলা তৈরি করেছেন নিজের মধ্যে।
তবে তিনি এটাও মানেন, তাঁর মতো সুযোগ-সুবিধা সবার থাকে না। তাই প্রত্যেকের নিজের মতো করে নিয়ম বানানো জরুরি। ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করে ধীরে ধীরে এগোনোই এখানে সবচেয়ে কার্যকর পথ।
ফিটনেস যাত্রার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও তুলে ধরেছেন আইরা— ধৈর্য। অনেকেই শরীরচর্চা শুরু করেই দ্রুত ফল আশা করেন। কিন্তু শরীর ও মন— দু’টোরই বদল আসতে সময় লাগে। ‘হ্যাপি হরমোন’-এর প্রভাবও ততক্ষণে তৈরি হয় না, যতক্ষণ না শরীর নিয়মিত পরিশ্রমের সঙ্গে অভ্যস্ত হচ্ছে।
তাই শুরুতে ক্লান্তি, বিরক্তি বা অনীহা থাকাটা স্বাভাবিক। বরং এই কঠিন সময়টাই আসল পরীক্ষা। সেই সময়টা পার করে এগোতে পারলেই ধীরে ধীরে শরীরচর্চা আনন্দের জায়গায় পৌঁছয়।
আইরার এই অকপট অভিজ্ঞতা একটাই বার্তা দেয়— জিমে যাওয়া মানেই সব সময় ভালো লাগা নয়। কিন্তু সেই অস্বস্তিকর শুরুটাই এক সময় বদলে দেয় অভ্যাস, শরীর আর মন— তিনটাকেই।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?