কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের পরিবর্তন: নতুন সিদ্ধান্ত ও সম্ভাবনা

কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ আগামী কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ না করলেও তাদের জন্য বরাদ্দ জায়গায় নতুন কোনো স্টল প্রতিষ্ঠা করা হবে না। তবে, সেই জায়গায় কিছু প্রদর্শনী বা সভার আয়োজন করা…

December 3, 2024
0 min read

কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ

আগামী কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ না করলেও তাদের জন্য বরাদ্দ জায়গায় নতুন কোনো স্টল প্রতিষ্ঠা করা হবে না। তবে, সেই জায়গায় কিছু প্রদর্শনী বা সভার আয়োজন করা হতে পারে, জানিয়েছেন কলকাতা বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়।

ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানান, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয়, তবে তাদের পক্ষে বইমেলায় আসা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও নির্দেশনা না থাকলে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণ করতে বলার প্রশ্ন ওঠে না।” তিনি আরও বলেন, “তবে, বইমেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের জন্য বরাদ্দ জায়গাটি খালি পড়ে থাকবে না। ওই জায়গায় কিছু প্রদর্শনী বা সভার আয়োজন হতে পারে।”

বাংলাদেশ প্রতি বছরই কলকাতা বইমেলায় অংশগ্রহণ করে আসছে এবং তাদের প্যাভিলিয়নটি বেশ বড় আকারের হয়ে থাকে। ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ বইমেলায় তাদের প্রকাশনা নিয়ে উন্মাদনা সৃষ্টি করে আসছে এবং এই প্যাভিলিয়নটি বইপ্রেমীদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু আসন্ন বইমেলায় তাদের অংশগ্রহণ না হওয়ায়, সেই জায়গায় অন্য কিছু আয়োজন করার কথা ভাবা হচ্ছে।

ত্রিদিব জানান, “যদি ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং বাংলাদেশ ২০২৬ সালের বইমেলায় ফিরে আসে, তবে তাদের জন্য সেই সময় কি জায়গা থাকবে, সেটা আমাদের ভাবনা।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে যদি বাংলাদেশ না আসে, তাহলে সেই জায়গায় নতুন কোনো প্রকাশনা সংস্থাকে জায়গা দেওয়া হবে না।”

গিল্ডের সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে জানান, বইমেলায় নতুন প্রকাশকদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা তাঁদের উদ্দেশ্য। এ বছরও অনেক নতুন প্রকাশনা সংস্থা বইমেলায় স্টল দিতে আবেদন করেছে। তবে, শুধুমাত্র আবেদনই যথেষ্ট নয়, সংস্থাগুলির প্রকাশনার মান, তাদের বইয়ের বিষয়ে একটি বিশেষ দল পর্যালোচনা করবে এবং রিপোর্ট তৈরির পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া, ২০২৬ সালে যদি বাংলাদেশ ফিরে আসে, তাহলে তাদের জন্য নতুন জায়গা বরাদ্দ করার পরিপ্রেক্ষিতেও গিল্ড চিন্তা করছে। তা ছাড়া, নতুন প্রকাশকদের প্রতি আগ্রহের মধ্যে, গিল্ড এ বারও তাদের শর্তানুসারে সেরা সংস্থাগুলির নির্বাচনে মনোযোগী হবে।

এক কথায়, আসন্ন কলকাতা বইমেলা বাংলাদেশের অংশগ্রহণে যে পরিবর্তন আসছে, তা বইমেলা প্রেমী এবং প্রকাশনা জগতের জন্য নতুন এক যুগের সূচনা হতে পারে।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *